হারের বৃত্ত থেকে কোনোভাবেই বের হতে পারছে না ইন্টার মায়ামি। ঘরের মাঠ ‘নিউ স্টেডিয়ামে’ সমর্থকদের হতাশ করে এমএলএস ম্যাচে টরন্টো এফসির কাছে ২-১ গোলে হেরে গেছে গিলেরমো হোয়েসের দল। মায়ামির মাটিতে টরন্টোর এটিই প্রথম জয়। অন্যদিকে এই পরাজয়ে টানা তিন ম্যাচ জয়বঞ্চিত থেকে প্লে-অফের দৌড়ে বড়সড় ধাক্কা খেল মায়ামি।
বিশ্বকাপ বিরতি কাটিয়ে ফেরার পর থেকেই ইন্টার মায়ামির পারফরম্যান্সের নিম্নমুখী গ্রাফ স্পষ্ট। ২২ জুলাইয়ের পর থেকে খেলা ৯টি ম্যাচের মধ্যে মাত্র ৩টিতে জয় পেয়েছে তারা, বিপরীতে হেরেছে ৪টি এবং ড্র করেছে ২টি। এর আগে লিগস কাপ থেকে বিদায় নিয়েছে তারা। শনিবারের হারে এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও শীর্ষে থাকা দলের চেয়ে ১০ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েছে মায়ামি।
প্রথমার্ধ শেষ হয় ০-০ সমতায়। বিরতির পর দ্বিতীয় অর্ধে ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। মায়ামির দুর্বল রক্ষণের পূর্ণ সুযোগ নেয় সফরকারী টরন্টো। ৫৯ মিনিটে প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জোশ সার্জেন্ট। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ৬২ মিনিটে ডেরেক ইতিয়েন জুনিয়রের গোল মায়ামিকে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে দেয়। ৩ মিনিটের ব্যবধানে ২-০ গোলেই ব্যাকফুটে চলে যায় স্বাগতিকরা।
২ গোলে পিছিয়ে পড়ে আক্রমণের ধার বাড়ায় মায়ামি। ম্যাচের ৮২ মিনিটে একক নৈপুণ্যে সমর্থকদের আশার আলো দেখান লিওনেল মেসি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে রদ্রিগো ডি পলের পাস ধরে বাঁ পায়ের চমৎকার শটে টরন্টোর জাল কাঁপান আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এটি মেসির ক্যারিয়ারের ৯২৩তম গোল হলেও তা কেবল পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে, দলের হার এড়াতে পারেনি। গোল করার পর জয়ের জন্য তাড়া থাকলেও বাকি সময়ে আর সমতায় ফিরতে পারেনি দল। পরবর্তী ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে আগামী শনিবার নিজেদের মাঠে মন্ট্রিলের মুখোমুখি হবে মেসিরা।