ম্যাকাইয়ে যা যা হলো

ম্যাকাইয়ের অভিষেক টেস্টটা শেষ হয়েছে দুই দিনে। প্রথম ইনিংসে ২১০ রান করেও ইনিংস ব্যবধানে বাংলাদেশকে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনা সাক্ষী হয়েছে আরও অনেক রেকর্ডের।

২৮

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্টটি দুই দিনে শেষ হওয়া ২৮তম টেস্ট। যার সর্বশেষ তিনটিই অস্ট্রেলিয়ায় গত ১০ মাসে হয়েছে। ম্যাকাইয়ের আগে সর্বশেষ অ্যাশেজের দুই ম্যাচ। যার প্রথমটিতে অস্ট্রেলিয়া এবং পরেরটিতে ইংল্যান্ড জেতে।

৭৫০

ম্যাকাই টেস্টের মোট বল। ফল হয়েছে, এমন টেস্টে যা চতুর্থ সর্বনিম্ন। ২০২৪ সালে কেপটাউনে রেকর্ড ৬৪২ বলের টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় ভারত।

২১০

টেস্টে প্রথম ইনিংসে সবচেয়ে কম রান নিয়েও ইনিংস ব্যবধানে জেতার রেকর্ডে চারে ম্যাকাইয়ের অস্ট্রেলিয়া। সর্বনিম্ন ১৫৩ রান করেও ইনিংস ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড অস্ট্রেলিয়ারই। ১৯৩২ সালে মেলবোর্নে দুই ইনিংসে ৩৬ ও ৪৫ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ও ৭২ রানে হারে দক্ষিণ আফ্রিকা।

টেস্টে এই প্রথমবার দুই ইনিংসেই ১০০ রানের নিচে অলআউট বাংলাদেশ। দুই ইনিংসে সর্বোচ্চ পাঁচবার এক শর নিচে অলআউট হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাকাইয়ের আগে সর্বশেষ ২০০৫ সালে এমন কিছু দেখেছিল টেস্ট ক্রিকেট। জিম্বাবুয়েকে দুইবার দুই অঙ্কে অলআউট করেছিল নিউজিল্যান্ড।

২২

সিরিজে বাংলাদেশের পেসারদের উইকেট। এক সিরিজে বাংলাদেশের পেসাররা এর চেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন একবারই। ২০২৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ২৫টি।

তিন ইনিংসে তিন শূন্য। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট সিরিজে তিন ইনিংসে তিনটি ডাক পেলেন লিটন। তবে এক সিরিজে এর চেয়ে বেশি ইনিংস খেলে তিনবার শূন্য রানে আউট হওয়ার উদাহরণ আছে আরও ৭টি।

৭/৪৮

শুধু টেস্টেই নয়, তিন সংস্করণ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের পেসারদের সেরা বোলিং এখন এই বাঁহাতির। আগের রেকর্ড ৬/১০, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মোস্তাফিজুর রহমানের। টেস্টের রেকর্ডটা ছিল শাহাদাত হোসেনের (৬/২৭, বিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা, ২০০৮)। দেশের বাইরে টেস্টে বাংলাদেশের কোনো বোলারের সেরা বোলিং। আগের রেকর্ড ৭/১৩৮, ২০২৬ সালে হারারে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাইজুলের। তিন সংস্করণ মিলিয়েও এটি রেকর্ড।