আইফোনের ব্যাটারি ঘিরে রহস্য। বিদ্যুৎ পরিবাহী ওই ডিভাইসের আকার সহজে প্রকাশ করতে চান না নির্মাণকারী মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপল। এ বছরের সেপ্টেম্বরে ১৮ সিরিজের আইফোন বাজারে আনছেন।
আইফোনের বাণিজ্যিক উৎপাদনের সিংহভাগই হয়ে থাকে চীনে। সেখানকার আইন অনুযায়ী, মুঠোবন্দি ডিভাইসে ব্যাটারি ভরার আগে থ্রিসি শংসাপত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক। এটিকে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বলা যেতে পারে। এর মাধ্যমে গ্রাহক সুরক্ষা, ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্য, পরিবেশ দূষণ বা জাতীয় নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো সুনিশ্চিত করে থাকে বেজিং। এহেন থ্রিসি শংসাপত্র অনুযায়ী, বাজারে আসতে চলা আইফোন ১৮ প্রোর ই-সিম মডেলে থাকবে ৪,২৮৮ এমএএইচের ব্যাটারি। অন্যদিকে সাধারণ সিমকার্ড থাকলে ৪,০৫৬ এমএএইচের ব্যাটারি পাবেন গ্রাহক। আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের ক্ষেত্রে ই-সিম মডেলে থাকবে ৫,৫৬৭ এমএএইচ ব্যাটারি।
একইভাবে সাধারণ সিমকার্ডের প্রো ম্যাক্স ব্যবহারকারী পাবেন ৫,৩৯১ এমএএইচ ব্যাটারি। অর্থাৎ আগের তুলনায় প্রো ম্যাক্স মডেলে ব্যাটারির আকার ৫০০ এমএএইচ বৃদ্ধি করেছে নির্মাণকারী বহুজাতিক মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপল। বাংলাদেশে সম্ভাব্য দাম আনুমানিক ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা (ট্যাক্স ও আমদানি খরচসহ)। সেখানে আইফোন প্রো, প্রো ম্যাক্সের মতো ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস কিনতে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯০০ থেকে ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হবে গ্রাহককে।