আসামিপক্ষে শুনানি করায় আইনজীবীকে মারধর  

আসামিপক্ষে শুনানি করায় আইনজীবীকে মারধর করেছেন বাদীপক্ষের লোকজন। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট মো. মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনের একটি মামলা বিচারাধীন। গতকাল উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আসামির বিরুদ্ধে  মামলায় অভিযোগ গঠনের পর ঢাকার সিএমএম আদালতের সামনে মামলার আসামি আবির ইবনে হারুন ও আইনজীবী মেহেদী হাসানকে মারধর করেন বাদিনীর বাবা হুমায়ুন কবির ও মামা মো. আশরাফুল আলম খান। তাদের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী হারুন রশীদ। তিনি বলেন, আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা বহিরাগতরা আসামি ও তার আইনজীবীকে বেধড়কভাবে মারধর করেন এবং আইনজীবীর পোশাক ছিঁড়ে ফেলেন। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এবং আইনজীবীরা এগিয়ে এলে বহিরাগত কিছু লোক পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। আর কয়েকজনকে আটক করেন আইনজীবীরা। এরপর তাদের আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর মুচলেকা দেওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

এদিকে আহত আইনজীবী ও আসামিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী আইনজীবী মেহেদী হাসান বলেন, আমাকে অযথা মেরেছে। বাদীপক্ষের লোকজন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ক্যাডার ভাড়ায় করে এনে আমাকে মারধর করেছে। তাই মারধরের পরও আমি কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারিনি। ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খান ছাত্রদলের ক্যাডার পরিচয় পাওয়ার পর তাদের মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়। আমি দ্রুত আইনজীবী সুরক্ষা আইন চাই। এই প্রতিবেদক ওই বিষয় জানতে চাইল আবুল কালাম খান বলেন, আইনজীবীর বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে সমাধান হয়ে গেছে।

 যৌতুক মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বাদিনীর কাছে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন আসামি। যৌতুকের টাকা না দিলে বাদিনীকে বাসায় নেবে না বলে জানায় আসামি। চলতি বছরের ৫ এপ্রিল আসামি হারুনের বিরুদ্ধে মামলা করে বাদী।