খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও ভারী বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গত শুক্রবার রাত থেকে টানা মুষলধারে বৃষ্টিতে উপজেলার মেরুং, কবাখালী ও বোয়ালখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এক মাসের মধ্যে তৃতীয় দফায় বন্যার কবলে পড়েছে উপজেলাটি।
মেরুং ইউনিয়নের বাঁচা মেরুং স্টিল ব্রিজ এলাকায় সড়ক ও ব্রিজের ওপর পানি উঠে যাওয়ায় দীঘিনালা-লংগদু সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী মানুষকে পানিবন্দি সড়কের অংশ নৌকায় পার হতে হচ্ছে।
অন্যদিকে কবাখালী ইউনিয়নের মাইনী ব্রিজসংলগ্ন কবরস্থান এলাকায় সড়কের ওপর পানি উঠলেও পানি তুলনামূলক কম থাকায় দীঘিনালা-সাজেক সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বারবার বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে কৃষিজমি ও মাছের খামার।
পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলের জমি। বিভিন্ন মাছের খামারে পানি ঢুকে মাছ ভেসে যাওয়ার আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় কৃষক ও খামারিরা।
মেরুং এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানান, এর মধ্যে তিন দফা বন্যায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বারবার বন্যার ফলে তাদের এলাকার রাস্তাঘাটসহ ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। এর ফলে তারা খুব কষ্টে ও দুশ্চিন্তায় আছেন। তারা দ্রুত পানি নিষ্কাশন এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রমিজ উদ্দিন বলেন, বারবার বন্যায় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পানি দ্রুত নেমে না গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। এর স্থায়ী সমাধান দরকার।
এ ব্যাপারে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজকে মুঠোফোনে বারবার ফোন দিলেও তিনি কল ধরেননি।