সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে তিনি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। এ সময় ঢাকা-১৮ আসনের সাংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ফুল দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান।
তার চিকিৎসার তত্ত্বাবধানে থাকা মেডিকেল বোর্ডের অনুমতি নিয়ে তিনি দেশে ফিরেছেন। মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার আগে ১৫ মার্চ থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, তার সঙ্গে স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও ফিরেছেন।
মির্জা আব্বাসের দেশে ফেরা উপলক্ষে আগে থেকেই ঢাকার বিমানবন্দরে সহস্রাধিক অনুসারী উপস্থিত ছিলেন। তিনি বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে এলে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান।
মির্জা আব্বাসের পরিবারের সদস্যরা বলেন, শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলেও মির্জা আব্বাসকে প্রতিদিন থেরাপি নিতে হবে। চিকিৎসার মধ্যেই থাকতে হবে তাকে।
শাহজাহানপুরে নিজের বাসভবনে গত ১১ মার্চ ইফতারের সময়ে হঠাৎ জ্ঞান হারালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিনই নিউরো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল টিম তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করে।
পরে ১৫ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে টানা এক মাসের চিকিৎসায় তিনি অনেকটাই সুস্থ্য হয়ে ওঠেন। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে গত ১৪ এপ্রিল তাকে ভর্তি করা হয় মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে। সেখানে এতদিন তার ফিজিওফেরাপি চলছিল।