সেরা হয়েই এশিয়াডে হৃদয়

ঘরোয়া আসরে সেরার তকমা নিয়েই এশিয়ান গেমসে যাচ্ছেন মোহতাসিন আহমেদ হৃদয়। রবিবার শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ইনডোর স্টেডিয়ামে চারদিনব্যাপী র‌্যাংকিং টুর্নামেন্টের পুরুষ এককে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তিনি। এশিয়াডের আগে এই টুর্নামেন্টে নিজেকে বেশ ভালোভাবেই ঝালিয়ে নিয়েছেন হৃদয়। তাই চ্যাম্পিয়ন হয়ে এখন এশিয়াডে ভালো করার প্রত্যয় তার কণ্ঠে, ‘এশিয়াডের মতো বড় আসরে যাওয়ার আগে ঘরোয়া আসরে নিজের দক্ষতা প্রমাণের মঞ্চ পেয়েছিলাম। চ্যাম্পিয়ন হয়ে এখন সেই দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছি। আশা করি এশিয়ান গেমসে ভালো কিছু বয়ে আনতে পারব।’

তবে এশিয়াডগামী দলে থাকা অন্য দুই খেলোয়াড় রামহিম লিয়ন বম ও সোনম সুলতানা সোমা ফাইনালে উঠতে পারেননি। কণ্ঠে তাই আক্ষেপ সোমার, ‘খুব একটা ভালো হলো না। কারণ চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে খুশি হতাম। তবে এশিয়ান গেমসে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।’ একই কথা রামহিমের, ‘চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু শিরোপা জিততে পারিনি। তবে এশিয়াডে ভালো খেলতে পারব বলে আশা করি।’ এবারের এশিয়াডে যাওয়া অন্য তিন খেলোয়াড় হলেন ইমরুল কায়েস ইমন, সামান্থা হোসেন তুশি ও নওরিন সুলতানা মাহি।

নারী এককে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন সাদিয়া রহমান মৌ। পুরুষ বিভাগে জাভেদ রানারআপ এবং মেয়েদের বিভাগে রানারআপ হন রেশমী তঞ্চঙ্গা। অনূর্ধ্ব-১৯ বালক এককে আবুল হাসেন হাসিব চ্যাম্পিয়ন ও নাফিজ ইকবাল রানারআপ, বালিকা বিভাগে খই খই সাই মারমা চ্যাম্পিয়ন ও রেশমী তঞ্চঙ্গা রানারআপ হন। এছাড়া অনূর্ধ্ব-১৫ বালক বিভাগে মৃদুল রহমান চ্যাম্পিয়ন ও শাহীন আহম্মেদ রানারআপ এবং অনূর্ধ্ব-১৫ বালিকা বিভাগে জান্নাত ইসলাম রোজা চ্যাম্পিয়ন ও রাফিয়া চৌধুরী রানারআপ হয়েছেন।

খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ, ফেডারেশনের সভাপতি ও ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ, সহসভাপতি খন্দকার হাসান মুনীর, সাধারণ সম্পাদক সাইদুল হক সাদি এবং টুর্নামেন্ট কমিটির আহ্বায়ক আনোয়ার কবির চৌধুরী বাবু উপস্থিত ছিলেন।