লোকসঙ্গীতের সুরে মুখর ছায়ানট

লোকসঙ্গীত বাংলাদেশের সঙ্গীতের একটি অন্যতম ধারা। গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনের সুখ- দুঃখের কথা ফুটে ওঠে এই সংগীতে। বাংলার লোকজ ঐতিহ্য, মাটি ও মানুষের জীবনবোধের নানা অনুষঙ্গকে ধারণ করে ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘গান অবিরাম’ (লোকসঙ্গীত)। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল বেলা সাড়ে ১১টায় ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।  এতে ৫ শতাধিক সংগঠক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রাক্তনী অংশ নেন।

লোকসঙ্গীতের এ আয়োজনে উঠে আসে বাংলার প্রকৃতি, নদী, মাটি, মানুষের জীবন, প্রেম-বিরহ ও আধ্যাত্মিক অনুভবের নানা রূপ। লোকগানের সুরে মুখর হয়ে ওঠে ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনের পরিবেশ। আয়োজনে পরিবেশিত হয় ‘আমার দেশের মতন এমন দেশ কি কোথাও আছে’, ‘ধন্য ধন্য বলি তারে’, ‘নিশা লাগিল রে’ এবং ‘মিলন হবে কতোদিনে’-এর মতো জনপ্রিয় গান। পাশাপাশি গাওয়া হয় ‘পরের জাগা পরের জমিন’ এবং ‘প্রাণ সখী রে, ওই শোন কদম্বতলে বংশী বাজায় কে’।

এছাড়াও ‘কলকল ছলছল নদী করে টলমল’, ‘গান গাই আমার মনরে বুঝাই’ এবং ‘বাউলা কে বানাইল রে’ গানের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে বাংলার লোকজ সংস্কৃতির বৈচিত্র্য ও মানুষের অন্তর্গত অনুভূতির নানা মাত্রা। আয়োজনের শেষভাগে পরিবেশিত হয় ‘নোঙ্গর ছাড়িয়া নায়ের দেরে দে মাঝি ভাই’। গানের পর গানে বাংলার চিরায়ত লোকঐতিহ্য ও মানুষের জীবনঘনিষ্ঠ অনুভূতির প্রকাশে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে ‘গান অবিরাম’।