দুবাইতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা বেশ আশাব্যঞ্জক করেছিল বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটিতে সাদমান ইসলাম ও সৌম্য সরকারের দুর্দান্ত ব্যাটে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছিল দল। কিন্তু এই জুটির বিদায়ের পরই পথ হারায় টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপ। শেষ পর্যন্ত ৭৮.১ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৩৪ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ।
৯ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের সঙ্গে টেস্টের জন্য প্রস্তুত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে অসাধারণ প্রতিরোধ গড়েন সাদমান ও সৌম্য। দুই ওপেনার মিলে দলের স্কোরবোর্ডে যোগ করেন দারুণ এক সেঞ্চুরি জুটি। দলীয় ১০৮ রানের মাথায় মেহরাবের বলে মাহ্বুবুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সাদমান। আউট হওয়ার আগে তিনি ৯৫ বলে ৫টি চারের সাহায্যে ৪৬ রানের একটি ধৈর্যশীল ইনিংস খেলেন।
অন্যদিকে, দারুণ ছন্দে থাকা সৌম্য সরকার ৫টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৯২ বলে ৫৭ রান করে রিটায়ার্ড আউট হন। এই দুই ওপেনারের ব্যাটে ভর করেই মূলত লড়াইয়ের পুঁজি পাওয়ার ভিত পায় বাংলাদেশ।
ওপেনিং জুটির গড়া মজবুত ভিত্তির পর ক্রিজে আসা ব্যাটাররা কেউই দলের ইনিংস বড় করতে পারেননি। তিনে নামা মুমিনুল হক ৬৩ বলে ৩৩ রান (২টি চার, ১টি ছক্কা) করলেও বাকিরা দ্রুত আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম (৪), জাকের আলী অনিক (৮) ও মেহেদী হাসান মিরাজরা (৮) উইকেটে থিতু হতে ব্যর্থ হন।
মাত্র ১০৮ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর দ্রুতই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দল। ফলে দলীয় সংগ্রহ ১৫১ রান হতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।
ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করেন। দলের হয়ে নাঈম হাসান ৭৫ বল খেলে ২টি চারে ৩৬ রানের একটি দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। এছাড়া তাইজুল ইসলাম ১৬, এবাদত হোসেন ৯ এবং খালেদ আহমেদ ১০ রান করলে দলের রান দুই শ পার হয়। শেষ পর্যন্ত ৭৮.১ ওভারে ২৩৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
জবাবে ৮ ওভারে আমিরাতের একটি উইকেট নিয়েছে বাংলাদেশ।