বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কা

এবারের মাস্টারপ্ল্যানের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো চুক্তি অনুযায়ী মাস্টারপ্ল্যানটি সঠিকভাবে তৈরি করা হয়েছে কি না তা চুয়েটকে দিয়ে ভেটিং করিয়েছে সিডিএ। এর অর্থ হলো যেনতেনভাবে এই মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করে দেওয়ার কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে প্রায় সব অংশীজনের সঙ্গেও মিটিং করেছে এবং তাদের মতামত নিয়েছে। তবে মাস্টারপ্ল্যানটি প্রতি ২ বছর পর পর অডিটিং করা প্রয়োজন।

১৯৯৫ সালের মাস্টারপ্ল্যানের পর এই মাস্টারপ্ল্যানের আয়তন অনেক বেড়েছে। কিন্তু সিডিএ’র জনবল একজনও বাড়েনি। একজন আর্কিটেক্ট, ২ জন অথরাইজ অফিসার ও হাতেগোনা কয়েকজন টাউন প্ল্যানার দিয়ে বিশাল এই মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। যদি জনবল না বাড়ানো হয় তাহলে তা একটি সুন্দর বই হিসেবে শোভা পাবে, বাস্তবে এই নগরের কোনো কাজে আসবে না। একই সঙ্গে ৫ বছর পর পর এই মাস্টারপ্ল্যান রিভিও করার সুযোগ থাকতে হবে।

বিগত মাস্টারপ্ল্যান কেন শতভাগ বাস্তবায়ন করা যায়নি সেজন্য পূর্ববর্তী মাস্টারপ্ল্যান রিভিও করার মাধ্যমে যেসব বাধাগুলো চিহ্নিত করা। একই সঙ্গে আগামীর মাস্টারপ্ল্যানে যাতে এই সমস্যাগুলো না হয় সেজন্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি নিরপেক্ষ মনিটরিং টিম দিয়ে কাজ করাতে হবে। এই কমিটি ২ বা ৫ বছর পর পর রিভিও করবে।