এক মাস্টারপ্ল্যানে ৫ চেয়ারম্যান

২০১৫ সালে বিগত মাস্টারপ্ল্যানের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তৎকালীন সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম ২০ বছর মেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের জন্য ডিপিপি তৈরির কাজ শুরু করেন। ২০১৯ সালে ১০ বছরের মেয়াদ শেষে ছালামের বিদায়ের পর জহিরুল আলম দোভাষ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্বে থাকা মূলত এই দোভাষের সময়ই মাস্টারপ্ল্যানের প্রধান অংশের কাজ শেষ হয়। ২০২২ সালের জুনে ড্রোন সার্ভের মাধ্যমে মাস্টারপ্ল্যানের কাজ শুরুর পর ২০২৩ সালের ১৮ মে সার্ভে রিপোর্ট উপস্থাপন ও অনুমোদন হয়। এই সার্ভে রিপোর্টের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের ৬ মার্চ ইন্টেরিম রিপোর্টও উপস্থাপন ও অনুমোদন হয়ে যায়। এপ্রিলে দোভাষের মেয়াদ শেষ হলে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ ইউনুস। এপ্রিলে দায়িত্ব পাওয়ার পর পরই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান প্রকৌশলী নুরুল করিম। এই চেয়ারম্যানের সময়কালে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারের সঙ্গে মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে মিটিং ও মতামত গ্রহণের কাজটি হয়ে থাকে।

এরই ভিত্তিতে গত বছরের ১৭ জুন ড্রাফট ফাইনাল রিপোর্ট-১ এবং গত ১ ফেব্রুয়ারিতে ড্রাফট ফাইনাল রিপোর্ট-২ উপস্থাপন ও অনুমোদন হয়। প্রকৌশলী নুরুল করিমের বিদায়ের পর সম্প্রতি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। যেহেতু ড্রাফট ফাইনাল রিপোর্ট অনুমোদন হয়ে গেছে, তাই এখন খসড়া ফাইনাল রিপোর্ট জনগণের সামনে উপস্থাপন হলো। ইতিমধ্যে এই খসড়া রিপোর্ট সিডিএ তাদের ওয়েবসাইটে আপলোডও করেছে। এখন সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর দুই মাস এই খসড়া রিপোর্টের ওপর মতামত সংগ্রহের পর ডিসেম্বরে ফাইনাল রিপোর্ট প্রকাশ করবে সিডিএ। আর এর পরপরই তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হবে।