সাবেক সচিবের পারিবারিক কবরস্থানে হামলা: কঠোর অবস্থানে প্রশাসন 

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় সাবেক সচিব ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেমের পারিবারিক কবরস্থানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন।

জানা যায়, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে  কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন,ভেঙ্গে ফেলা বেড়া মেরামতসহ কবরস্থানটি দ্রুত পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর)বিকাল ৫ঘটিকায় উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কাজীপুরাস্থ চার গ্রামের সামাজিক কবরস্থানের মধ্যে সাবেক সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেমের পারিবারিক কবরস্থান পরিদর্শন করেন ও কবরবাসীর রুহের মাগফেরাত কামনা স্থানীয় আলেমদের নিয়ে দোয়া করেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া,জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এম ইসহাক আলী,আহসান উল্লাহ  গজারিয়া ইউপি প্রশাসক মনিরুজ্জামান, ভবেরচর ইউনিয়ন বিএনপি সদস্য সচিব নুরুল আমিন সরকার, স্থানীয় বিএনপি নেতা হারুন সরদার,ফিরোজ আলম, মুক্তার হোসেন,জামাল উদ্দিন বেপারী প্রমুখ।

​এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া বলেন, বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর আমি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিক ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। কবরস্থানটি পূর্বে যে অবস্থায় ছিল সে অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কবরস্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য গোরস্থান কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেনকে প্রতারক হিসেবে আখ্যায়িত করে সংসদ সদস্য বলেন, তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে থানায় মামলা হয়েছে, আইনের মাধ্যমে তার বিচার হবে,কুলাঙ্গার শাহাদাত যে মন্ত্রীর নাম বিক্রি করেছে আমি সংশ্লিষ্ট সেই মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে তিনবার কথা বলেছি,তিনি তাকে চেনেনও না। এই ব্যক্তি আসলে একজন প্রতারক,আমি ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

​এ সময় তিনি কবরস্থানটির সার্বিক নিরাপত্তায় উপজেলা প্রশাসনের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কাজীপুরা গোরস্থানে এই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। কথিত জমিদার পরিবারের নাতি ও মন্ত্রীর ভাগিনা পরিচয় দেওয়া দড়িকান্দি গ্রামের প্রয়াত গোলাম মাওলার ছেলে শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে একদল লোক এই হামলায় অংশ নেয় বলে জানা যায়।