হ্যারি ব্রুকের দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির পরও জয় পেল না ইংল্যান্ড। গতরাতে রাওয়ালপিন্ডিতে ওয়ানডে ক্রিকেটের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ার অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়ে ২ উইকেটের এক রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ২০০৬ সালে জোহানেসবার্গে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ৪৩৮ রান তাড়ার পর ৫০ ওভারের ক্রিকেটে এটিই দ্বিতীয় সফলতম রান তাড়া।
টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ১১৪ বলে ২০০ রান স্পর্শ করে ভারতের শুবমান গিলের (১১৭ বল) রেকর্ড ভেঙে ওয়ানডে ইতিহাসের ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকান। ১১৬ বলে ২০২ রান করে ইনিংসের শেষ বলে আউট হন ব্রুক। এছাড়া টম ব্যান্টন ৫০, জো রুট ৬৯ এবং উইল জ্যাকস ৩০ বলে অপরাজিত ৬৬ রান করলে ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৪২৯ রানের বিশাল পাহাড় গড়ে ইংলিশরা।
৪৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। সেখান থেকে ম্যাচের গল্পটা বদলে দেন পাবন রত্নায়েকে, আবিষ্কা ফার্নান্দো ও দাসুন শানাকা। রত্নায়েকে ৮৭ বলে ১৩০ রান করেন, আবিষ্কা করেন ৯৭ রান। অন্যদিকে বোলিংয়ে খরচে থাকা শানাকা ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়ে ৮টি ছক্কায় খেলেন ৯৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস।
ম্যাচ সেটা পাবন রত্নায়েকে ও দাসুন শানাকা
শেষ দিকে জমে ওঠে নাটক। জয়ের জন্য শেষ ওভারে শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল ৮ রান। জশ টাং পরপর দুই বলে দুনিথ ওয়েলাগে ও ইশান মালিঙ্গাকে বোল্ড করে ম্যাচ ইংল্যান্ডের দিকে টেনে আনেন। তবে শ্রীলঙ্কার জানিথ লিয়ানাগে বরফশীতল মাথার পরিচয় দিয়ে শেষ ওভারের পঞ্চম বলে সোজা সীমানার ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে শ্রীলঙ্কাকে ঐতিহাসিক জয় এনে দেন। লিয়ানাগে অপরাজিত থাকেন ৬১ রানে।
সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড: ৪২৯/৪ (৫০ ওভার) — হ্যারি ব্রুক ২০২, জো রুট ৬৯, উইল জ্যাকস ৬৬*, টম ব্যান্টন ৫০।
শ্রীলঙ্কা: ৪৩০/৮ (৪৯.৫ ওভার) — পাবন রত্নায়েকে ১৩০, দাসুন শানাকা ৯৭, আবিষ্কা ফার্নান্দো ৯৭, জানিথ লিয়ানাগে ৬১*।
ফলাফল: শ্রীলঙ্কা ২ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচ সেরা : পাবন রত্নায়েকে।