জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম এলাকায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে মিছিলের পরিকল্পনার সময় আটক ১৪ নেতাকর্মীকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার এসআই মিরাজুল ইসলাম সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন—ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মোস্তফা সরদার, মো. রাশেদ, ঢাকা ৪৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান রাজীব, সেলিম মিঞা, আব্দুস সামাদ রনি, মমিন হাওলাদার, মো. জিহাদ, রসুলপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য মো. মহিউদ্দিন, যুবলীগ কর্মী মো. রাহাদ, রাতুল, মো. মারুফ, মো. রায়হান, সানি এবং নাজমুল হাসান হৃদয়।
গত শনিবার ১৪ জনকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। তবে সেদিন চার কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় বায়তুল মোকাররমের পাশে আজাদ প্রোডাক্টস গলির মুখে গত ২৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ১০০ থেকে ১২০ জন নেতাকর্মী জড়ো হয়ে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী উসকানিমূলক স্লোগান দেন এবং নাশকতার পরিকল্পনা করেন। খবর পেয়ে পল্টন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ও স্থানীয় জনতার সহায়তায় তাঁদের আটক করে এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানায় মামলা করে পুলিশ।