রেশমি চুড়ি

নারীর সাজে রেশমি চুড়ির আবেদন অন্যরকম। কাচের তৈরি এই চুড়ি শুধু অলংকার নয়, বাঙালির ঐতিহ্য ও আবেগেরও অংশ। বিশেষ করে শাড়ি, টিপ ও আলতার সঙ্গে রেশমি চুড়ি ট্র্যাডিশনাল সাজে পূর্ণতা এনে দেয়।

 রেশমি চুড়ির প্রচলন ঠিক কবে শুরু হয়েছিল, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে এর ইতিহাস প্রায় একশ বছরের পুরনো বলে বিভিন্ন লেখায় উল্লেখ পাওয়া যায়। এক সময় জমিদার ও নবাব পরিবারের নারীদের সাজে এই চুড়ির বিশেষ কদর ছিল। ধীরে ধীরে তা সাধারণ মানুষের মধ্যেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

নকশা ও গড়নের ভিত্তিতে রেশমি চূড়ি প্রধানত দুই ধরনের। সাধারণ এক রঙের ও মাল্টিকালারে খাঁজকাটা। সাধারণ চুড়ির মধ্যে স্বচ্ছ, একরঙা, গাঢ় রঙের ও বহুরঙা নকশা দেখা যায়। এ ছাড়া জরি, চুমকি ও পাথরের কাজ করা রেশমি চুড়িও পাওয়া যায়। লাল, সাদা, কালো, সবুজ, নীল, গোলাপি ও সোনালি রঙের চুড়ির চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে

পহেলা বৈশাখ, বিয়েসহ বিভিন্ন উৎসব ও অনুষ্ঠানে রেশমি চুড়ির জনপ্রিয়তা বাড়ে। শাড়ির পাশাপাশি সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি ও ফিউশন পোশাকের সঙ্গেও বেশ মানায়। আমাদের কবিতা, গল্প-উপন্যাসেও রেশমি চুড়ির কথা এসেছে বারবার।