ঘরোয়া ক্রিকেটেও প্রশ্নবিদ্ধ বোলিং

ঘরোয়া ক্রিকেটেও প্রশ্নবিদ্ধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ উঠেছে। চলমান জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম একাদশের দুই স্পিনার জাওয়াদ আবরার ও সামিউল বশির রাতুলের পাশাপাশি দ্বিতীয় একাদশের আরও এক স্পিনারের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন ম্যাচ রেফারিরা। এদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিযুক্ত আলিস আল ইসলামের বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষার জন্য আইসিসির কাছে বাড়তি সময় চেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিযুক্ত তিন বোলারই অফ স্পিনার। এর মধ্যে রাতুল এর আগেও সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিলেন। তবে আইসিসির অধীনে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন তিনি। ফলে নতুন করে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে না তাকে। বিসিবির রিভিউ কমিটির এক সদস্য বলেন, ‘রাতুলেরটা ছয় মাস আগে আইসিসির থেকে টেস্ট করানো হয়েছে। তখন ছাড়পত্র পেয়েছে। যেহেতু তার ছাড়পত্র আছে, এজন্য আর নতুন করে পরীক্ষা দেওয়ার দরকার হবে না।’

খুলনা বিভাগের বিপক্ষে বরিশালের হয়ে খেলা জাওয়াদের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আপত্তি তোলেন ম্যাচ রেফারি এনায়েত চৌধুরী। ওই ম্যাচে মাত্র তিন ওভার বোলিং করেন জাওয়াদ। তার ১৮টি বলের মধ্যে দুটি বলের অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। নিয়ম অনুযায়ী, ১৪ দিনের মধ্যে পরীক্ষা দিয়ে বৈধ অ্যাকশনের সনদ নেওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময় পার করেছেন তিনি। এ বিষয়ে বিসিবির রিভিউ কমিটির ওই সদস্য বলেন, ‘জাওয়াদ আমাদের বলেছে, যেহেতু সে কোথাও নিয়মিত বল করে না, তার মূল ভূমিকা ব্যাটিংয়ে, এজন্য আর পরীক্ষা দেবে না।’

দ্বিতীয় একাদশের অভিযুক্ত স্পিনারের নাম এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বোলিংয়ের সময় কনুইয়ের অস্বাভাবিক বাঁকানো ও প্রসারণের কারণে তার অ্যাকশন সন্দেহজনক বলে রিপোর্ট করা হয়েছে বলেই জানা গেছে। বোর্ড সূত্রের খবর, অ্যাকশন সুধরানোর পরীক্ষা দিতে আগ্রহী ওই ক্রিকেটার।

অন্যদিকে আলিসের বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষায় জটিলতা তৈরি হয়েছে ভারতীয় ভিসা না পাওয়ায়। চেন্নাইয়ে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে সেখানে যেতে পারছেন না তিনি। এ কারণে বিসিবি আইসিসির কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘরোয়া ক্রিকেটেও বোলিং করতে পারবেন না তিনি।