চট্টগ্রাম ও পায়রায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৩, ১২:১১ পিএম

হামুনের প্রভাব থেকে উপকূল রক্ষায় চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে কক্সবাজারকে ছয় নম্বর ও মোংলাকে পাঁচ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একইসাথে সংশ্লিষ্ট এলাকার দ্বীপ, চর ও সমূহের জন্য বিপদ সংকেত বহাল রাখা হয়েছে। আগামীকাল বিকেলের পরিবর্তে সকালেই উপকূলে আঘাত করবে ‘হামুন’। বরিশাল ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী ভোলার উপর দিয়ে তা উপকূল অতিক্রম করার কথা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১০ নম্বর বিশেষ বুলেটিনের উপাত্ত অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম থেকে ৪৪৫ কিলোমিটার পশ্চিম দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৪০১ কিলোমিটার পশ্চিম দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ৩২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা থেকে ৩১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর উত্তর-পূর্বদিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে সকাল থেকে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকা, দ্বীপ ও চরসমূহে স্বাভাবিকের চাইতে তিন থেকে পাঁচ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস দেখা দিতে পারে।

এর আগে গতকাল সোমবার দুপুরে নিন্মচাপটি গভীর নিন্মচাপে পরিণত হয়েছে। পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিন্মচাপটি গতকাল রাত আটটায় ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়।

উল্লেখ্য, চলতি মাসে একটি ঘূর্ণিঝড়ে হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরেরর দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল। বছরের এসময়ে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়ে থাকে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত