সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটিতে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে এক তরুণীসহ স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ে ক্ষমা চাইতে দেখা গেছে।
তবে উক্ত সংসদ সদস্যের পরিবার ও তরুণীর স্বজনদের দাবি, ওই তরুণী তার বৈধ দ্বিতীয় স্ত্রী এবং এটি তাদের সামাজিকভাবে হেয় করার চক্রান্ত।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় লোকজন গাজী নজরুল ইসলাম ও মাহিয়া নামের দেওয়া এক তরুণীকে অবরুদ্ধ করে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
এ সময় ভিডিও ধারণকারীদের কাছে অন্যায় স্বীকার করে এবং ক্ষমা চেয়ে হাত জোর করে জামায়াত নেতাকে বলতে শোনা যায়, ‘আজকেই প্রথম এসেছি। আমাদের ছেড়ে দেন।’
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বিষয়টিকে নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তবে এ ঘটনার পরপরই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উন্মোচন করেছেন সাবেক এমপি গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী এবং ওই তরুণীর বাবা।
সংসদ সদস্যের পরিবার ও কনের বাবার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভাইরাল হওয়া ওই তরুণীর প্রকৃত নাম মরিয়ম আক্তার। কনের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ জানান, গত ১৭ জুন তার বড় মেয়ে মরিয়মের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের পারিবারিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়।
প্রথম স্ত্রীসহ পরিবারের সম্মতিতে তাঁদের এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। এটিকে ষাজযন্ত্রমূলকভাবে সামাজিকভাবে হেনস্তা করার একটি অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।
এর আগে সাবেক এমপি গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমও এক ভিডিও বার্তায় স্পষ্ট করেন যে, মরিয়ম আক্তার তার স্বামীর দ্বিতীয় স্ত্রী। কুৎসা রটনাকারীদের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার স্বামীর সঙ্গে মরিয়মের আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হয়েছে।
এ নিয়ে কুৎসা রটানো হচ্ছে। এতে বিরত না থাকলে আমি আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।’
এমপি ও কনের পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে নিশ্চিত করায় সামাজিক মাধ্যমে চলতে থাকা আলোচনার নতুন রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
ঢাকার ভক্তদের প্রতি আতিফ আসলামের ভিডিও বার্তা