পুলিশের ধারণা আত্মহত্যা, স্বামী বলছেন জ্বীনে মেরেছে

আপডেট : ০১ জুন ২০২৪, ০৪:৩৮ পিএম

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে মোসা. রাবেয়া খাতুন (২৩) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১ জুন) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের ঈশ্বরপুর গ্রামের শ্বশুর বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান। এর আগে একইদিন আনুমানিক ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে গৃহবধূর লাশ শ্বশুর বাড়ির টয়লেটের সামনে দেখতে পান তার স্বামী আবুল খায়ের।

পুলিশ বলছে, গৃহবধূর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল সম্পন্ন করা হয়। এ সময় তার গলায় অর্ধচন্দ্রাকৃতির একটি কালো দাগ দেখা গেছে। বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে গৃহবধূর মা সফুরা খাতুন (৫০) বিনা ময়নাতদন্তের জন্য আবেদন করলেও সন্দেহজনক হওয়ায় পুলিশ তা আমলে নেয়নি। কান্না জড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, তিন বছর আগে আমার মেয়েকে আবুল খায়েরের সাথে বিবাহ দেই। ৫-৬ মাস ধরে আমার মেয়ে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিল। বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করানোর পরও ভালো হয়নি। শনিবার ভোরে আমার মেয়ে টয়লেটে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়। টয়লেট থেকে ফিরতে দেরি হওয়ায় আমার মেয়ের স্বামী তাকে খোঁজার জন্য টয়লেটের তাকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে।

অপরদিকে গৃহবধূর স্বামী আবুল খায়ের বলেন, আমার স্ত্রীর ওপরে জ্বীনের আছর ছিল। আমার ধারণা আমার স্ত্রীকে জ্বীনে মেরে ফেলেছে। অথবা সে স্ট্রোক করে মারা গেছে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। গৃহবধূর গলায় একটি কালো দাগ পেয়ে সন্দেহ হওয়ায় লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত