নরসিংদীতে সদর উপজেলার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হাসানের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে পাঁচদোনা বাজারের গ্রীণ সিটি মার্কেটের সামনে শহীদ মাহবুবুল চেয়ারম্যান সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি পাঁচদোনা বাজারের গ্রীণ সিটি মার্কেটের সামনে থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাঁচদোনা বাসস্ট্যান্ড প্রদক্ষিণ করে আবার বাজারে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় মিছিল থেকে উত্তেজিত বিক্ষোকারীরা মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে পুলিশ ও নেতারা তাদের মহাসড়ক থেকে সড়িয়ে দেয়।
কর্মসূচিতে নিহত মাহবুবুল এর স্বজন, এলাকাবাসী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন। এ সময় প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, মাহবুব মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করেছেন। যার কারণে তার জনপ্রিয়তায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা ঈর্ষান্বিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। এই হত্যার পেছনের নেপথ্যের পরিকল্পনাকারীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এই হত্যার মাস্টারমাইন্ড আতাউরকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।
এ সময় পাঁচদোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনির হোসেন ভূইয়া মনির, নরসিংদী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন, নিহতের ছোট ভাই হাফিজুল হাসান, মাধবদী থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পবিত্র রঞ্জন দাস মহাদেব, মাধবদী পৌর সভা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, চরদিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন শাহীন, নুরালাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাকারিয়া, মহিষাশুড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। আগামী শুক্রবার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের প্রতিটি মসজিদে জুমার নামাজ শেষে মাহবুবের আত্মার মাঘফেরাত কামনা করে দোয়া করা হবে।
এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে সদর উপজেলার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের ভগিরথপুর এলাকায় মেসার্স মা বাবা টেক্সটাইল এর সামনে মাহবুবুল হাসানকে (৪০) গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। হত্যার দুইদিন পর নিহতের ভাই ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরো ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে মাধবদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
‘মনে হচ্ছিল আমিও আবরার ফাহাদের মতো মরে যাব’
চেয়ারে বসা নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপে মারামারি