ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দুপুরে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। পরে রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তিন বাহিনীর প্রধানদের সামনে রেখে বলেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি।’ তবে তিনি এখন বলছেন ভিন্ন কথা।
রাষ্ট্রপতির এমন কথার পর সারা দেশে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে তার পদত্যাগের দাবি জানানো হয়। পরে মঙ্গলবার বিকেল থেকে একই দাবিতে বঙ্গভবনের সামনে অবস্থান নেয় বিভিন্ন সংগঠনের আন্দোলনকারীরা। রাতের দিকে আন্দোলনকারীরা বঙ্গভবনের সামনের ব্যারিকেড ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে ধাওয়া দেয় পুলিশ ও সেনাবাহিনী। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। এই সময় অন্তত পাঁচজন আহত হন।
এই ঘটনার পর আজ বুধবার বঙ্গভবনের প্রধান ফটকের সামনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সেখানে ব্যারিকেড ছাড়াও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে, যা গতকাল ছিল না। এছাড়া প্রধান ফটকের সামনে এপিবিএন, বিজিবি, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্যকে সশস্ত্র অবস্থায় দেখা গেছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে এপিসি, জলকামানসহ রায়ট কার।
এদিকে বঙ্গভবন এলাকায় বুধবার সকাল থেকে বিক্ষুব্ধ জনতা বা আন্দোলনকারীদের কাউকে না দেখা গেলেও বিকেল থেকে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন অফিসগামী মানুষ তাদের অফিস শেষ করে বঙ্গভবনে কী হচ্ছে তা দেখার জন্য আসছেন। অনেকে আবার বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গভবনের সামনে এসে ঘুরে ফিরে যাচ্ছেন। তবে যারা আসছেন তাদের বেশিরভাগই স্মৃতি হিসাবে অন্তত একটি করে সেলফি তুলে যাচ্ছেন।
অফিসগামী এক যুবক দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমি অফিস থেকে বের হয়ে এখানে এসেছি। মূলত এখানে আজ কী হচ্ছে তা দেখার জন্যই আসা।
গাজীপুর থেকে আসা আরেকজনকে জিজ্ঞেস করা হয়- কেন এখানে এসেছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিভিন্ন মানুষ এখানে আসছে, তাই আমিও দেখতে আসছি। তিনি বলেন, আমি টিভিতে জানতে পেরে গাজীপুর থেকে এখানে এসেছি।
অভ্যুত্থান নিয়ে কটূক্তি, চবি শিক্ষার্থীর বহিষ্কার চায় সহপাঠীরা
দেশে থেকেই বিদেশে যাওয়ার প্রচারণা করছেন নিপুণ