সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথমবারের মতো আটজন শিশু হৃদরোগীর দেহে ডিভাইস বসানো হয়েছে। দুই দিনব্যাপী এই কার্যক্রম গত শনিবার ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের ক্যাথল্যাবে শুরু হয়। গত রবিবার সন্ধ্যায় এই কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের শিশুরোগ বিভাগের প্রধান ডা. রিজওয়ানা রিমার নেতৃত্বে এই অপারেশনগুলো সম্পন্ন হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হার্টের জন্মগত অস্বাভাবিক ছিদ্র বন্ধ করা, রক্তনালী স্বাভাবিকীকরণ তথা এএসডি (অ্যাট্রিয়াল সেপ্টাল ডিফেক্ট), ভিএসডি (ভেন্ট্রিকুলার সেপ্টাল ডিফেক্ট) এবং পিডিএর (প্যাটেন্ট ডাক্টাস আটারিওসাস) চিকিৎসার জন্য এ ডিভাইস লাগানো হয়। ঢাকার বাইরে এই প্রথম কোনো মেডিকেলে এই ডিভাইস লাগানো হলো।
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও লন্ডনের ‘মান্তাদা এইড’ এর যৌথ উদ্যোগে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ওসমানী হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. মোখলেছুর রহমান জানান, ওসমানী মেডিকেলের ক্যাথল্যাবে পূর্ণবয়স্ক হৃদরোগীদের সার্জারি করা হচ্ছে। শিশু হৃদরোগীদের জন্য এখন কার্যক্রম চালু হাসপাতালের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে।
ওসমানী হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও লন্ডনের মান্তাদা এইড যৌথভাবে এই ডিভাইস বসানো কার্যক্রমে সহযোগিতা করে। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের শিশু রোগ বিভাগের প্রধান ডা. রিজওয়ানা রিমা এই অপারেশনগুলো সম্পন্ন করেন। তার সঙ্গে ১০ জন চিকিৎসকের একটি টিম কাজ করেছে। সবাই ফ্রিতে চিকিৎসা দিয়েছেন। ডিভাইসের খরচ দিয়েছে মান্তাদা এইড। ওসমানী হাসপাতালের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেছি আমরা। আটজন শিশুর দেহে ডিভাইস বসানো সম্পন্ন হয়েছে। সবাই ভালো আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকার তিনটি হৃদরোগের হাসপাতাল ছাড়া এর আগে দেশের আর কোথায়ও এই অপারেশন হয়নি। আগে এ ধরনের রোগী এলে আমরা ঢাকায় রেফার করে দিতাম। যেটা একজন রোগীর পরিবারের জন্য অনেক ব্যয়বহুল। ভবিষ্যতে আমরা যাতে এই কার্যক্রম চালু রাখতে পারি সেজন্য ‘মান্তাদা এইড’ এর সঙ্গেও কথা বলেছি । তারাও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন আমাদের সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার।’
৩২ কোটির অগ্রিম বুকিং, ‘পুষ্পা ২’র রেকর্ড
আগরতলা দূতাবাসে ভাঙচুরের ঘটনায় বাংলাদেশের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া
শিবপুরে নারীকে হত্যার পর ব্লেড দিয়ে মুখমণ্ডল ক্ষতবিক্ষত