বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীনদের খোঁজ-খবর নিলেন তারেক রহমান

  • নিজেদের স্বার্থে হাসিনার জন্য কুমিরের কান্না করছে ভারত, বলেন রিজভী
  • রক্তপিপাসু নীতির উপর ক্ষমতা আঁকড়ে রেখেছিলেন শেখ হাসিনা, মন্তব্য তার 
আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:৪৮ পিএম

মিথ্যার বেড়াজাল নির্মাণ করে বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে ভারত। কিন্তু প্রযুক্তির এই যুগে তারা সফল হতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

আজ শনিবার সকালে (৭ ডিসেম্বর) আমরা বিএনপি পরিবার-এর উদ্যোগে জাতীয় বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন চলাকালে আহত ব্যক্তিদের খোঁজ-খবর নিতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও আমরা বিএনপি পরিবার-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আহতদের প্রতি সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, পলাতক প্রধানমন্ত্রীকে যারা আশ্রয় দিয়েছে, সেখান থেকে যারা বিভিন্ন অপপ্রচার করছে, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই বাংলাদেশে এসে আন্দোলনে আহত এইসব ছাত্র-জনতাকে দেখুন। কি ধরনের ভয়াবহ নির্মম পাশবিকতা চালিয়েছে হাসিনা সরকার। কারো মুখ নষ্ট হয়ে গেছে। কারো দুই হাত উড়ে গেছে। কারো দুই পা কেটে ফেলা হয়েছে। কারো চোখের কর্নিয়া নষ্ট হয়ে গেছে। জীবন যেন তাদের কাছে এখন অভিশাপ।

সংখ্যালঘু প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশে নাকি দিনরাত হিন্দুদের ঘরবাড়ি পোড়ানো হচ্ছে, মানুষ পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, এই ধরনের অপতথ্য ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রযুক্তির এই যুগে তারা সফল হতে পারছে না। তারা হাসিনাকে দিয়ে তাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতেন। সেই স্বার্থের জন্যই তারা এখন শেখ হাসিনার জন্য কুমিরের কান্না কাঁদছে।

আগরতলায় বাংলাদেশের পতাকা অবমাননা, বাংলাদেশিদের ওপর হামলা ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী একটি ভয়ংকর আন্তর্জাতিক গুরুতর অপরাধ বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘তারা একবারও চিন্তা করেনি শেখ হাসিনা নিজ দেশের মানুষের উপর কি নিষ্ঠুরতা চালিয়েছে। কি হিংস্র আচরণ করেছে। আহত এইসব ছাত্রকে দেখলে মনে হয় কোন হরর সিনেমার দৃশ্য। শেখ হাসিনা এইরকম কর্মকাণ্ড করে গেছে।

বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র, সার্বভৌম রাষ্ট্র মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘রক্তের দামে কেনা বাংলাদেশ। কেউ এই দেশকে ভয় দেখিয়ে মাথানত করাতে পারবে না। চোখ রাঙিয়ে নতজানু করতে পারবে না।‘

তিনি বলেন, ‘যারা আমার ভাইদের হত্যা করেছে, হাত কেটে দিয়েছে, মুখ উড়িয়ে দিয়েছে তাদের বিচার বাংলাদেশে হতেই হবে। যারা নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শুরু করে প্রত্যেকের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যারা তাকে রক্ষার চেষ্টা করবে, তারা স্বাধীনতা বিরোধী। সার্বভৌমত্বের বিরোধী। জনগণের বিরোধী।‘

 এইসব আহত রোগীদের দেখলে বুঝা যায়। এদের দেখলে হৃদয়টা কেঁদে ওঠে। শরীর শিউরে ওঠে।‘

তিনি বলেন, ‘সেই পলাতক প্রধানমন্ত্রীকে যারা আশ্রয় দিয়েছে, সেখান থেকে যারা বিভিন্ন অপপ্রচার করছে, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই বাংলাদেশে এসে আন্দোলনে আহত এইসব ছাত্র-জনতাকে দেখুন। কি ধরনের ভয়াবহ নির্মম পাশবিকতা চালিয়েছে হাসিনা সরকার। কারো মুখ নষ্ট হয়ে গেছে। কারো দুই হাত উড়ে গেছে। কারো দুই পা কেটে ফেলা হয়েছে। কারো চোখের কর্নিয়া নষ্ট হয়ে গেছে। জীবন যেন তাদের কাছে এখন অভিশাপ।‘

সংখ্যালঘু প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশে নাকি দিনরাত হিন্দুদের ঘরবাড়ি পোড়ানো হচ্ছে, মানুষদেরকে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, এই ধরনের অপতথ্য ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রযুক্তির এই যুগে তারা সফল হতে পারছে না। তারা হাসিনাকে দিয়ে তাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতেন। সেই স্বার্থের জন্যই তারা এখন শেখ হাসিনার জন্য কুমিরের কান্না কানছে।

আগরতলায় বাংলাদেশের পতাকা অবমাননা, বাংলাদেশীদের ওপর হামলা ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী একটি ভয়ংকর আন্তর্জাতিক গুরুতর অপরাধ বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘তারা একবারও চিন্তা করেনি শেখ হাসিনা নিজ দেশের মানুষের উপর কি নিষ্ঠুরতা চালিয়েছে। কি হিংস্র আচরণ করেছে। আহত এইসব ছাত্রছাতাকে দেখলে মনে হয় কোন হরর সিনেমার দৃশ্য। শেখ হাসিনা এইরকম কর্মকাণ্ড করে গেছে।

বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র, সর্বভৌম রাষ্ট্র মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘রক্তের দামে কেনা বাংলাদেশ। কেউ এই দেশকে ভয় দেখিয়ে মাথানত করাতে পারবে না। চোখ রাঙিয়ে নতজানু করতে পারবে না।‘

তিনি বলেন, ‘যারা আমার ভাইদের হত্যা করেছে, হাত কেটে দিয়েছে, মুখ উড়িয়ে দিয়েছে তাদের বিচার বাংলাদেশে হতেই হবে। যারা নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শুরু করে প্রত্যেকের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যারা তাকে রক্ষার চেষ্টা করবে, তারা স্বাধীনতা বিরোধী। সার্বভৌমত্বের বিরোধী। জনগণের বিরোধী।‘

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত