ফেল করেও কোটায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ভর্তি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিবির নেতা সালমান সাব্বিরের বিরুদ্ধে। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে এজিএস প্রার্থী।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, সালমান সাব্বির ভর্তি পরীক্ষায় ৩২.৫ নম্বর পান। সাধারণত ৪০ নম্বর পেলে পাস হয়। দেখা যাচ্ছে প্রয়োজনের চেয়েও কম নম্বর পেয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন।
সূত্র জানায়, ফ্যাসিস্ট সরকারের অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগের সহযোগিতায় ভর্তি হন তিনি। কোটাবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিলেও ফেল করে তিনি নিজেই কোটা নিয়ে ভর্তি হন। সালমান শাব্বির বলেন, ‘আগামীকাল রাকসু নির্বাচন। এটা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি।’ ভর্তির বিষয়ে তিনি পরে কথা বলবেন বলে জানান তিনি।
অভিযোগ রয়েছে, সালমান সাব্বির পোষ্য কোটায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন। কিন্তু তার বাবা-মা কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফ কিনা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত।
গত মাসে রাবিতে ‘পোষ্য কোটা’ বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। এ সময় শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মবিরতিতে যান। এমনকি রাকসু নির্বাচনও পেছাতে হয়। আর কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামে শিবির সমর্থিত ভিপি ও জিএস প্রার্থীও।
রাকসু নির্বাচনে ২৩টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩০৫ জন প্রার্থী। নির্বাচনে মোট ১০টি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল আছে মাত্র দুটি। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। অন্যগুলো হলো: বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর ‘গণতান্ত্রিক শিক্ষার্থী পর্ষদ’, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও ছাত্র ফেডারেশনের ‘রাকসু ফর রেডিক্যাল চেঞ্জ’, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সমর্থিত ‘সচেতন শিক্ষার্থী পরিষদ’ ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশ) ‘অপরাজেয় ৭১, অপ্রতিরোধ্য ২৪’, সাবেক দুই সমন্বয়কের নেতৃত্বে ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’, নারী ভিপি প্রার্থীর নেতৃত্বে ‘সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ’, ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী জোট’ ও ‘ইনডিপেনডেন্ট স্টুডেন্ট অ্যালায়েন্স’।
