৫৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি করল গণসংহতি আন্দোলন

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:৩০ পিএম

জোনায়েদ সাকিকে প্রধান সমন্বয়কারী ও আবুল হাসান রুবেলকে নির্বাহী সমন্বয়কারী করে গণসংহতি আন্দোলনের ৫ম জাতীয় সম্মেলন থেকে ৫৫ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত হয়েছে।

রবিবার (০২ নভেম্বর) সাভার গণস্বাস্থ্য পিএইচএ কনভেনশন সেন্টারে সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে সারা দেশ থেকে আগত প্রতিনিধিরা নতুন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করেন।

কমিটির বাকিরা হলেন রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য দেওয়ান আবদুর রশীদ নীলু, ফিরোজ আহমেদ, তাসলিমা আখতার, হাসান মারুফ রুমী ও মনির উদ্দীন পাপ্পু ও উপদেষ্টা পরিষদে নাজার আহমেদ, ফিরোজ আহসান, কেরামত আলী ও নূরুল আলম শাহীন এবং পরামর্শক পরিষদে ড. সায়েমা খাতুন, প্রকৌশলী জাকারিয়া নেওয়াজ, গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব) মো. খালিদ হোসাইন, সৈকত মল্লিক, শ্যামলী শীল, ইমরাদ জুলকারনাইন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বাচ্চু ভুইয়া, জুলহাসনাইন বাবু, অ্যাডভোকেট মুরাদ মোর্শেদ, দীপক কুমার রায়, তরিকুল সুজন, এস এম আমজাদ হোসেন, আলিফ দেওয়ান, অ্যাডভোকেট উবা থোয়াই মারমা, অঞ্জন দাস, ড. নাসির উদ্দিন, নুরুন্নেসা মুন্নী, ইখতিয়ার উদ্দিন বিপা, মনিরুল হুদা বাবন, মুনীর চৌধুরী সোহেল, আব্দুল আলীম, অপরাজিতা চন্দ, শহীদ শিমুল, তৌহিদুর রহমান, জুয়েল রানা, আমজাদ হোসেন, সাদিক রেজা, গোলাম মোস্তফা, জাহিদ সুজন, রেক্সোনা পারভীন সুমি, সাইফুল্লাহ সিদ্দিক রুমন, পপি রানী সরকার, লুভানা তাবাসসুম, আবদুল্লাহ নাদভী, রুবিনা ইয়াসমিন, মুন্নী মৃ, রোকনুজ্জামান মনি, নিয়ামুর রশীদ বিপ্লব, বেনু আক্তার, মোস্তাফিজুর রহমান রাজীব, মুফাখখারুল ইসলাম মুন, মাহবুব রতন, আরিফুর রহমান মিরাজ, লুতফুন্নাহার সুমনা, জাহিদুল আলম আল জাহিদ, তাহসিন মাহমুদ ও আবু রায়হান খান।  এছাড়া আরও সাতটি পদ শূন্য রাখা হয়েছে।

‘শ্রমিক-কৃষক, খেটে খাওয়া, নিপীড়িত ও প্রান্তিক মানুষের ন্যায্য হিস্যা চাই’ এই দাবি নিয়ে  ও  ‘বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ, অধিকার ও মর্যাদার বাংলাদেশ, জনগণের বাংলাদেশ’ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে ৩১ অক্টোবর, ১ ও ২ নভেম্বর গণসংহতি আন্দোলনের তিন দিনব্যাপী এই ৫ম জাতীয় সম্মেলন উদ্বোধন করেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

উদ্বোধনের পর দুই দিনব্যাপী কাউন্সিল অধিবেশনে রাজনৈতিক প্রতিবেদন, গঠনতন্ত্র সংশোধনী, সাংগঠনিক কর্মপদ্ধতি, আচরণবিধি, দলীর ঘোষণাপত্র ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের খসড়া নিয়ে আলোচনা করেন প্রতিনিধি ও পর্যবেক্ষকরা। আগামী ২১-২২ নভেম্বর প্রতিনিধি সম্মেলনে মূলতবি আলোচনায় ৫ম জাতীয় সম্মেলনে উত্থাপিত দলিলপত্র মতামত, পরামর্শ সংযুক্ত করে চূড়ান্তকরণ করা হবে ও দলের জাতীয় পরিষদ গঠিত হবে।

 

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত