ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী হয়রানি ও দালালচক্রের দৌরাত্ম্য রোধে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (১০ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাসের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দালাল চক্রের তিন সদস্যকে অর্থদণ্ড প্রদান করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তবে অভিযানের খবর টের পেয়ে হাসপাতালের আশপাশের এলাকা থেকে সটকে পড়েন দালাল চক্রের অপর সদস্যরা।
অভিযানে অর্থদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরের কাকনহাটি গ্রামের মমতা আক্তার (৪৮), ফরিদুল ইসলাম (২৫)। ঈশ্বরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের খৈরাটি গ্রামের বিজয় কুমার সরকার (৩৭)। তাদের মধ্যে ফরিদুল ইসলাম ও বিজয় কুমার সরকারকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা এবং মমতা আক্তারকে ১ হাজারসহ মোট ১১ হাজার অর্থদণ্ড প্রদান করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব দালালদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছেন চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগীরা। বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) দালালদের দৌরাত্ম্য নিরসনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশনা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে তিনজনকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সুমাইয়া হোসেন লিয়া, উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বেদেনা আক্তার এবং ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য রোধে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে চক্রের ৩ সদস্যকে দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারা মোতাবেক ১১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এই কাজে জড়িত হলে আরও কঠিন শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে সতর্কতা করা হয়েছে তাদেরকে। জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আবারও বাড়ছে সয়াবিন তেলের দাম
সত্য থেকে বহু দূরে বাংলাদেশের গণমাধ্যম: প্রেস সচিব