জানাল পুলিশ

বিচারকের ছেলে হত্যায় আটক লিমনের বাড়ি গাইবান্ধায়, ছিলেন নেশাগ্রস্ত

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:১৯ পিএম

রাজশাহী নগরে বিচারকের ছেলে হত্যার ঘটনায় আটককৃত লিমন মিয়ার (৩৫) বাড়ি গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের মদনেরপাড়া গ্রামে।

এলাকাবাসী জানায়, লিমন মিয়ার বাবা সোলায়মান আলী ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। এক সময় লিমন সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। কিছুদিন আগে চাকরি ছেড়ে বাড়িতে আসেন। লিমন অবিবাহিত বলে জানা গেছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফুলছড়ি থানার ওসি মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম।

লিমন মিয়ার বাড়ির লোকজন জানান, লিমন চাকরি ছেড়ে বাড়িতে এসে বেকার হয়ে পড়েন। এ সময় বাড়িতেই নানা অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে এলাকার যুবকদের সঙ্গে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। এলাকার লোকজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে চলতেন তিনি। চাকরির জন্য তিনি বিভিন্ন এলাকায় যান। পরিবারের সঙ্গে তার তেমন যোগাযোগ ছিল না।

আটককৃত লিমন মিয়ার বাবা সোলায়মান আলী বলেন, একমাস ধরে লিমন বাড়িতে আসে না। কিভাবে বিচারকের পরিবারের সাথে তার পরিচয়, কেন বিচারকের ছেলেকে হত্যা করল, এসব বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

এদিকে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহারের বাবার বাড়ি গাইবান্ধায়। তিনি গাইবান্ধা শহরের ব্রিজ রোড একোয়াস্টেট পাড়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবদুল লতিফ হক্কানীর মেয়ে।

তাসমিন নাহারের বাবার বাড়ির পরিবারের লোকজন গতকাল রাতেই রাজশাহীতে রওনা দেন। ঘটনার খবর শুনে তাসমিন নাহারের বাবা আবদুল লতিফ হক্কানী আহাজারি করছেন। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার পর রাজশাহী নগরের ডাবতলা এলাকায় মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমানের ভাড়া বাসায় ঢুকে ছেলে তাওসিফ রহমানকে (সুমন) ছুরিকাঘাত করে হত্যার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীর ছুরিকাঘাতে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহারও (৪৪) আহত হন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত লিমন মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। আহত হওয়ায় তাকেও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত