ছেলেবেলায় মহাদুষ্টু ছিলেন স্কালোনি; স্কুল থেকে হয়েছিলেন বহিস্কার

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ০২:৩২ পিএম

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কোচ লিওনেল স্কালনিকে দেখলে কেউ বলবে- তিনি ছোটবেলায় মহা দুষ্টু ছিলেন? ভীষণ ঠাণ্ডা মাথার এই কোচের অধীনে একের পর এক সাফল্যের মুকুট পরছে আর্জেন্টিনা। একটি বিশ্বকাপ ও দুটি কোপা আমেরিকাজয়ী এই কোচ নাকি ছেলেবেলায় ভীষণ দুষ্টু ছিলেন! ডিয়েগো বোরিনস্কির লেখা ‘স্কালোনি: অফিসিয়াল বায়োগ্রাফি’ বইতে প্রকাশিত হয়েছে তার দুষ্টুমির যত কাহিনি। সেখান থেকে পাঠকদের জন্য চারটি ঘটনা তুলে ধরা হলো।

১. আতশবাজির নেশা : স্কালনি ছোটবেলায় আতশবাজি ও ফায়ারওয়ার্কের প্রতি ভীষণ আকৃষ্ট ছিলেন। নিজের বাবার সঙ্গে বাজারে গিয়ে শুকর বিক্রি করে তিনি ক্রিসমাসের জন্য ফায়ারওয়ার্ক সামগ্রী কিনতেন। শুধু তাই নয়, সুযোগ বুঝে গ্রামের বাজারে ছোট দোকান খুলে ফায়ারওয়ার্ক সামগ্রী বিক্রিও করতেন!

২. স্কুল থেকে বহিষ্কার: গ্রামের স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় স্কালোনি রিপোর্ট কার্ড টয়লেটে ফেলে দিয়েছিলেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্কালোনির বাবা-মাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, ‘লিওনেল আর এই স্কুলে আসছে না।’ স্কালোনি পড়ে গেলেন মহাবিপদে। কারণ, আরেকটি স্কুলে ভর্তি হতে গ্রাম থেকে তাকে মোটামুটি ৪০ কিলোমিটার দূরত্বে যেতে হয়েছিল!

৩. মোটরবাইক প্রীতি: ১৩-১৪ বছর বয়সে স্কালনি প্রথম মোটরবাইক পেয়েছিলেন। গ্রামের রাস্তায় খুব জোরে এবং ঝুঁকিপূর্ণভাবে তিনি বাইক চালাতেন। একবার তো পায়ের লেস গিয়ার শিফটে আটকে যাওয়ায় বাইকটাই নষ্ট হয়ে যায়। পরে তার বাবা তাকে একটি ‘ফিয়াট ১৪৭’ মডেলের গাড়ি কিনে দেন।

৪. খেলতে গিয়ে দুর্ঘটনা: দুষ্টুমি যতই হোক, খেলাধুলায় কখনো ছাড় দেননি স্কালোনি। খেলতে গিয়ে চোটও কম পাননি। ১০-১১ বছর বয়সে নতুনেলস দলের হয়ে খেলার এক পর্যায়ে মাঠের পাশে থাকা টেবিলের ওপর পড়ে যান। তার মাথা গিয়ে লাগে টেবিলে এবং বাঁ চোখের ওপর দাগ পড়ে যায়। সবাইকে অবাক করে রক্তপাত নিয়েও খেলা চালিয়ে যান স্কালোনি। পরে তার ক্ষতস্থানে সেলাই দিতে হয়েছিল! আজও তার মুখে সেই দাগ স্পষ্ট দেখা যায়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত