আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কর্ণফুলী নদীর জায়গা লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ রবিবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি মোহাম্মদ আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল দেন।
যাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি হয়েছে তারা হলেন- চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান, প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান, সদস্য (ফিন্যান্স) মো. শহিদুল আলম, কমোডর কাউসার রশিদ এবং বন্দরের সম্পত্তি বিভাগের সহকারী ম্যানেজার মোহাম্মদ রায়ান উদ্দিন। তাদের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় কেন আদালত অবমাননার অভিযোগে শাস্তি দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
কর্ণফুলী নদী রক্ষায় পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে জনস্বার্থে এ আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়। আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
দেশ রূপান্তরকে তিনি বলেন, কর্ণফুলী নদী রক্ষায় ২০১৬ সালে হাইকোর্ট একটি রায় দেন। এতে কয়েক জরিপ অনুসারে কর্ণফুলী নদী রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা ছিল। কিন্তু সেই নির্দেশনা অমান্য করে গত বছরের ডিসেম্বরে কর্ণফুলী নদীর অংশ (ফিরিঙ্গিবাজার মৌজায় অবস্থিত) যা জরিপে নদী হিসেবে দেখানো হয়েছে সেটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে (চসিক) লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
এ সংক্রান্ত চিঠিও ইস্যু করা হয়। তিনি বলেন, হাইকোর্ট তার আদেশে ফিরিঙ্গি বাজার মৌজার বি আর এস দাগ নং ৬০১ এর জমি সংক্রান্ত বিষয়ে পরবর্তী সকল কার্যক্রমের উপর স্থিতাবস্থার আদেশ দিয়েছেন।
