কডলিভার অয়েল কেন খাবেন

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৩ এএম

কডলিভার অয়েল সাপ্লিমেন্ট হিসেবে অনেকের কাছেই পরিচিত। এটা সর্দি, কাশি, ঠান্ডা লাগা থেকে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা, এমনকি ব্রেন, হার্টের জন্যও ভালো এই সাপ্লিমেন্ট। কডলিভার অয়েলে যে দুই ধরনের অ্যাসিড রয়েছে, তা হার্ট এবং ব্রেনের কাজকর্ম সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাওয়া উচিত। সামুদ্রিক, তৈলাক্ত মাছই ফিশ অয়েলের উৎস। Eicosapentaenoic Acid (EPA) Ges Docosahexaenoic Acid (DHA) রয়েছে ফিশ অয়েলে। এগুলো আসলে ওমেগা-৩ ফ্যাট, যা হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। প্রদাহজনিত সমস্যা দূরে রাখে।

যাদের রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি। যাদের আগে থেকেই হার্টের সমস্যা রয়েছে। যারা একেবারেই সামুদ্রিক মাছ খেতে পারেন না। তাদের ফিশ অয়েল সাপ্লিমেন্ট না খেলেও চলে। সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন মাছ খান। যাদের কার্ডিওভাসকুলার কোনো রোগ নেই। যাদের রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা স্বাভাবিক তারা কডলিভার অয়েল খেতে পারেন।

তবে অনেকেই মনে করেন, ফিশ অয়েল সাপ্লিমেন্ট খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে, ক্লান্তি দূর হয় কিংবা তৎক্ষণাৎ এনার্জি পাওয়া যায়। আসলে ভুল ধারণা। সাপ্লিমেন্ট খেতে শুরু করা মাত্রই যে শরীরের বিরাট কোনো পরিবর্তন চোখে পড়বে, বিষয়টা তেমনও নয়। চিকিৎসকরা বলছেন, অতিরিক্ত ফিশ অয়েল খাওয়ার বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে। যাদের নিয়মিত ব্লাড থিনার বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খেতে হয়, তাদের রক্তপাতের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে ফিশ অয়েল পিল।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত