নিজেকে সবসময় ‘বড় ক্লাবের’ ফুটবলারই ভাবতেন ভোজিনহা 

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম

ছোট ক্লাবে বা বেশিরভাগের কাছেই নাম না জানা সব লিগে জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটলেও, মনের অজান্তেই ভোজিনহা নিজেকে সবসময় বড় মঞ্চেরই তারকা ভাবতেন। তার এই দৃঢ় প্রত্যেয়ই আজ তাকে বানিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেনসেশন। বিশ্বকাপে বড় চমকের জন্ম দিয়ে ছোট দেশ কেপ ভার্দেকে শেষ বত্রিশে পৌঁছে দেওয়া গোলরক্ষক ভোজিনহার ক্যারিয়ারে এবার যুক্ত হলো নতুন এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়।

৪০ বছর বয়সে এসে চিলির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কোলো কোলো-তে যোগ দিয়ে জীবনের সবচেয়ে বড় ক্লাব ট্রান্সফারটি সম্পন্ন করলেন এই অভিজ্ঞ তারকা।

চলতি বছরের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো সেনসেশনে পরিণত হয়েছিলেন ভোজিনহা। তার দুর্দান্ত নৈপুণ্যেই ছোট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে তাদের ইতিহাসের প্রথম বিশ্ব আসরেই গ্রুপ পর্ব পার করে। শক্তিশালী স্পেনের সঙ্গে ড্র, উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের বিপক্ষে দারুণ লড়ে শেষ বত্রিশে পৌঁছানোর পর শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দারুণ লড়াই করে বিদায় নেয় তারা। পর্তুগালের দ্বিতীয় সারির ক্লাব শাভেস ছাড়ার পর ভোজিনহার এই অবিশ্বাস্য উত্থান ফুটবল বিশ্বে সাড়া ফেলে দেয়।

চিলিতে পা রাখার পর প্রথম সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ভোজিনহা বলেন, ‘ছোট লিগে এবং সেভাবে জায়ান্ট নয় এমন ক্লাবে খেললেও, হৃদয়ের গহীনে আমি সবসময় নিজেকে একজন 'বড় ক্লাবের' খেলোয়াড় হিসেবেই ভাবতাম। তাই যখন কোলো কোলো থেকে প্রস্তাব এল, তখন বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছিল না। প্রথম দিন থেকেই আমি জানতাম আমি কোথায় খেলতে চাই। আমার কাছে অনেক অফার এসেছিল, কিন্তু কোলো কোলো-ই সবসময় আমার প্রধান অগ্রাধিকার ছিল।’

চিলির শীর্ষ লিগে রেকর্ড ৩৪ বারের চ্যাম্পিয়ন কোলো কোলো। এর আগে অ্যাঙ্গোলা, সাইপ্রাস, মলদোভা ও স্লোভাকিয়ার মতো দেশের ক্লাবে খেলে আসা ভোজিনহার কাছে এই ক্লাবে যোগ দেওয়া তার ক্লাব ক্যারিয়ারের সেরা প্রাপ্তি। বিশ্বকাপকে নিজের জীবনের সেরা অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপে খেলা আমার সঙ্গে ঘটা সেরা ঘটনা, তবে সেটা এখন অতীত। কোলো কোলোর-এর মতো সমৃদ্ধ ইতিহাসের এক বিশাল ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করাই এখন আমার ক্লাব ক্যারিয়ারের হাইলাইট।’  

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত