যে মাঠে ক্যারিয়ারের সোনালী স্মৃতির জন্ম হয়েছিল, ঠিক সেই ঐতিহাসিক ভেন্যুতেই ব্যাট হাতে রাজকীয় রূপ দেখালেন তাওহীদ হৃদয়। ২০২০ সালে যুব বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের সেই চেনা আঙিনায় দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে চার দিনের ম্যাচে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত এক ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটার।
তৃতীয় দিনের খেলা শেষে নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সেই ডাবল সেঞ্চুরি নিয়ে এক আবেগঘন পোস্টে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তাওহীদ হৃদয়।
স্মৃতিচারণ করে সেখানে হৃদয় লিখেছেন, ‘আমার লাল বলের ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেট শুরু হয়েছিল আমার জন্মস্থান বগুড়া থেকে। আজকে যেই মাঠে (পচেফস্ট্রুমে) ২০০ করলাম আল্লাহর রহমতে , এই মাঠেই আমরা বিশ্ব জয় করছিলাম ২০২০ সালে। সব কিছুর জন্য রবের প্রতি কৃতজ্ঞতা।’
স্বাগতিকদের বিপক্ষে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের ইনিংসের মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন হৃদয়। সিরিজের প্রথম ম্যাচে সুযোগ না পেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে নেমে নিজের জাত ভালোভাবেই চিনিয়েছেন তিনি। পচেফস্ট্রুমে ম্যাচের তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে জাকের আলীকে সঙ্গে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলের রান পাহাড়ে নিয়ে যান হৃদয়। ৭৫ রান নিয়ে দিন শুরু করা এই ব্যাটার প্রথমে নিজের চতুর্থ ফার্স্ট ক্লাস সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এবং পরবর্তীতে দুর্দান্ত ব্যাটিং শৈলীতে ৩৩৫ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পৌঁছে যান মহিমান্বিত ডাবল সেঞ্চুরির ম্যাজিক ফিগারে।
১৮টি ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচের ক্যারিয়ারে এটি তার দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। এমনকি বিদেশের মাটিতে সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের পর লাল বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরির বিরল কীর্তিও নিজের নামের পাশে যোগ করেছেন তিনি।
হৃদয়ের এই নান্দনিক ইনিংসের দিনে দারুণ সমর্থন দিয়েছেন সতীর্থরাও। জাকের আলী (৯৪) মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন। এদিকে দীর্ঘ বিরতির পর খেলতে নামা সাইফউদ্দিন দুর্দান্ত ৮৭ রান করে আউট হন। সব মিলিয়ে স্বাগতিকদের ৫১২ রানের জবাবে ৬ উইকেটে ৪৭১ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।
সাত ক্রিকেটার বদলের সাফাই দিলেন আকিব জাভেদ