অস্ট্রেলিয়ার পর কেন্টের পারফরম্যান্স আরও বিশেষ: হাসান

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে লাল-সবুজের জার্সি গায়ে ঐতিহাসিক সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটের বাইশ গজে নতুন ইতিহাস লিখছেন বাংলাদেশি পেসাররা। কেন্ট কাউন্টি ক্লাবের হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন দুই গতি তারকা হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদ। ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে বল হাতে আগুনে পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে এই পেস জুটি বুঝিয়ে দিয়েছেন বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের পেস বিপ্লব এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।

বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার স্মরণীয় সাফল্যের পর কাউন্টির কন্ডিশনে নিজেদের এই ধারাবাহিকতা দেশের ক্রিকেটের জন্য আরও বড় প্রাপ্তি বলে মনে করছেন কেন্টের নতুন ‘পোস্টার বয়’ হাসান মাহমুদ।

ইংলিশ কন্ডিশনে অচেনা উইকেটেও কীভাবে নিজের সেরাটা নিংড়ে দিচ্ছেন, তার পেছনের কৌশল খোলাসা করতে গিয়ে কেন্ট ক্রিকেটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটকে হাসান বলেন, ‘নতুন উইকেটে আমার পরিকল্পনা ছিল লেংথে জোর দিয়ে বল করা এবং যতটা সম্ভব কম রান দেওয়া।’ 

হাসানের এই নিখুঁত পরিকল্পনা আর আঁটসাঁট বোলিংয়ের সুবাদে ডার্বিশায়ারের ব্যাটাররা রীতিমতো কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন। প্রায় ১৬ ওভার বল করে মাত্র ৩০ রান খরচায় ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে দলের প্রধান অস্ত্র হয়ে ওঠেন এই টাইগার পেসার। আর তার সঙ্গে দারুণ সঙ্গ দিয়ে কেন্টের জার্সিতে নিজের অভিষেক ম্যাচেই ৩টি উইকেট শিকার করেছেন অপর পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদ। সতীর্থের এমন দুর্দান্ত সূচনা নিয়ে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে হাসান জানান, ‘বোলিংয়ে সঙ্গী হিসেবে খালেদকে সঙ্গে পাওয়ায় অবশ্যই ভালো লেগেছে। ওর জন্য আমি খুবই খুশি। কেন্টের হয়ে নিজের প্রথম ম্যাচেই তিনটি উইকেট নিয়েছে। আশা করি, পরের ইনিংসেও ওর ভালো যাবে।’ 

দুই বাংলাদেশির এমন যৌথ পেস আক্রমণে দিশেহারা হয়ে প্রথম ইনিংসে ৩০০ রানেই গুটিয়ে যায় ডার্বিশায়ার। বিদেশের মাটিতে একই ক্লাবের হয়ে দুজন বাঙালির এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স যে দেশের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমীকে গর্বিত করেছে, তা অকপটে স্বীকার করেছেন হাসান।

নিজের সেই অনুভূতি ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, ‘দুজন কেন্টের হয়ে খেলছে, এতে বাংলাদেশের মানুষও খুব খুশি। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় যা ঘটেছে, তারপর এই বিষয়টি আমাদের জন্য আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে।’ 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত