আগের ম্যাচে আল ইত্তিহাদের কাছে হেরে কিছুটা পিছিয়ে পড়া আল নাসরকেজয়ের ধারায় ফিরিয়ে আনলেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আবহার বিপক্ষে ম্যাচে হেডে গোল করে নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ৯৭৯তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করলেন সিআরসেভেন। ফুটবল ইতিহাসে ১ হাজার গোলের অনন্য মাইলফলকের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন তিনি, আর তার দলও মাঠ ছাড়ল ২-১ গোলের ঘামঝরানো জয় নিয়ে।
রিয়াদের আল-আউয়াল পার্কে সৌদি প্রো লিগের ম্যাচটি শুরু হয়েছিল নাসরের ঘুরে দাঁড়ানোর মিশন নিয়ে। স্বাগতিকরা প্রথম মিনিট থেকেই আবহার রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। তারই ফলস্বরুপ, ম্যাচের ২২ মিনিটে এসে ডেডলক ভাঙেন রোনালদো। অ্যাঞ্জেলোর নিখুঁত ও বাঁকানো কর্নার কিক থেকে সিক্স-ইয়ার্ড বক্সের কাছাকাছি উঁচু লাফ দিয়ে এক দুর্দান্ত হেডার করেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। বলটি দূরের পোস্টে লেগে জালে জড়ানোর সাথে সাথেই উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি।
চলতি সৌদি প্রো লিগ মৌসুমে পাঁচ ম্যাচে এটি রোনালদোর তৃতীয় গোল এবং আল নাসরের জার্সিতে তার ১৩২তম গোল। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে ব্যবধান বাড়ানোর আরও কয়েকটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি।
কখনো গোলপোস্টে বাধা পড়েছে তার শট, আবার কখনো প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের দারুণ দৃঢ়তায় বেঁচে গেছে আবহা। বিরতির পর ম্যাচের ৫৮ মিনিটে আল-হামদানের চমৎকার এক গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আল নাসর, যা জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলেছিল।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও লড়াই ছাড়েনি আবহা। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে ব্যবধান কমান ফরাসি তারকা নাবিল ফেকির। সরাসরি ফ্রি-কিক থেকে নেওয়া তার বাঁকানো শটটি নাসরের গোলকিপার বেন্তোকে সম্পূর্ণ পরাস্ত করে জালে আশ্রয় নেয়। এরপর ম্যাচের বাকি সময়টাতে সমতায় ফেরার জন্য বেশ কয়েকবার আক্রমণ শানায় সফরকারীরা। তবে শেষ পর্যন্ত আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি রোনালদোরা।
এই জয়ে ছয় ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতে জিতে টেবিলের শীর্ষ দলগুলোর সাথে পয়েন্টের ব্যবধান কমিয়ে আনল নাসর। তবে এই ম্যাচের মূল আলো কেড়ে নিয়েছেন নিঃশর্তভাবে রোনালদোই। ঐতিহাসিক ১ হাজার গোলের রেকর্ড থেকে মাত্র ২১ গোল দূরে দাঁড়িয়ে ফুটবল বিশ্বের বিস্ময় হয়ে এখনো সমানতালে গোল করে চলেছেন এই পর্তুগিজ লিজেন্ড।
আলভারেজের আতলেতিকো হারল লিভারপুলের আরেক আর্জেন্টাইনের গোলে