মাদক চাঁদাবাজি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি জিন্নাহ কবীরের

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৬ এএম

মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর বলেছেন, দেশ ও জাতির উন্নয়ন করতে হলে মাদক, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে এলাকার যুবসমাজকে মাদকমুক্ত করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে আয়োজিত মাদকমুক্ত, চাঁদাবাজিমুক্ত ও দুর্নীতি প্রতিরোধবিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এস এ জিন্নাহ কবীর বলেন, নির্বাচনের আগে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়েছেন। এখন এলাকার উন্নয়নে কাজ করবেন। পাশাপাশি তার আরেকটি দাবি হচ্ছে—মাদকমুক্ত, চাঁদাবাজিমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সমাজ থেকে মাদক, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ না হলে একটি জাতির উন্নতি সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আগামী সাড়ে চার বছরের মধ্যে দৌলতপুর, ঘিওর ও শিবালয়ে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাবে।

বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং শিক্ষিত বেকারদের বেকার ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন জিন্নাহ কবীর। তিনি বলেন, নির্বাচনের ওয়াদা অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

জিন্নাহ কবীর আরও বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ওয়াদা পূরণে একে একে কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে পাঁচ মাসে দৌলতপুর, ঘিওর ও শিবালয়ে সরকারের বরাদ্দকৃত অর্থে রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, মন্দির ও শ্মশানঘাটের উন্নয়ন করা হয়েছে। আগামী সাড়ে চার বছরে বাকি কাজগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির ৩১ দফার কাজও শুরু হয়েছে। কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে।

ধামশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আলেক মিয়ার সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান পিন্টু।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার সরকার, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দিপু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক কৃষিবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ লোকমান হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আনিসুর রহমান আনিস, শিবালয় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী মিজানুর রহমান লিটন, ঘিওর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মীর মানিকুজ্জামান মানিক, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুল মতিন মাস্টার, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস রহমান, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ ইকবাল রনি ও আক্তার হোসেন, জেলা যুবদলের সদস্য মোসলেম উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী নাদিম হোসেন টুয়েল, জেলা যুবদলের নেতা নাসির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আব্দুস সালাম ও যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জিহাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিব খান অয়ন, জেলা ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. অনিক হাসান, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির এলিটসহ অনেকে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত