লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে যোগ হলো নতুন আরেকটি মাইলফলক। ইন্টার মায়ামির জার্সিতে তিনি পেয়েছেন তার শততম গোল। ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে গোলটি বাঁ-পায়ের চেনা জাদুতে নয়, এসেছে হেডে। একটি গোল করার পর কাসেমিরোকে দিয়ে আরেকটি করিয়েছেনও মেসি। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে ম্যাচ জিতে ক্যাম্পিওনেস কাপও ঘরে তুলেছে ইন্টার মায়ামি। মেজর লিগ সকারের চ্যাম্পিয়ন ও মেক্সিকোর লিগা এমএক্সের চ্যাম্পিয়নের মধ্যকার বার্ষিক লড়াইয়ের এ শিরোপা এবারই প্রথম জিতল তারা। চলতি বছরে এটাই মেসির প্রথম শিরোপা। আর পুরো ক্যারিয়ারে ৪৮তম।
বুধবার ঘরের মাঠে মেসির মাইলফলক ছোঁয়ার গোলটি এসেছে ম্যাচের ২৪ মিনিটে। ডান দিক থেকে লুইস সুয়ারেজের নিখুঁত ক্রস ছুটে আসে মেসির দিকে। নিজের মার্কারকে টপকে উঁচুতে উঠে হেড করেন মেসি। এরপর ম্যাচের ৮১ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে গোল করেন কাসেমিরো। তাতেই মেসির আরেকটি শিরোপা জয় নিশ্চিত হয়।
ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র ১১৫ ম্যাচেই ১০০ গোলের কীর্তি গড়েছেন মেসি। এটা ক্লাব বা জাতীয় দলের হয়ে মেসির দ্রুততম ১০০ গোল। বার্সেলোনার হয়ে এই মাইলফলকে পৌঁছাতে তার লেগেছিল ১৮৮ ম্যাচ। আর্জেন্টিনার জার্সিতে ১০০ গোল করতে খেলেছেন ১৭৪ ম্যাচ। সেখানে মায়ামির হয়ে সময় লেগেছে মাত্র ১১৫ ম্যাচ।
মেসি মায়ামিতে যোগ দেন ২০২৩ সালে। দলটির হয়ে তার প্রথম গোলও এসেছিল ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে। মায়ামির হয়ে মেজর লিগ সকারে মেসি করেছেন ৭৬ গোল। লিগস কাপে ১৪টি। কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপে ৮টি। আর ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে ১টি।
মায়ামির হয়ে মেসি প্রথম শিরোপা জিতেছেন ২০২৩ সালে, লিগস কাপ। পরের বছর মায়ামি জেতে সাপোর্টার্স শিল্ড। সেই মৌসুমে এমএলএসে ৭৪ পয়েন্ট নিয়ে সর্বোচ্চ পয়েন্টের রেকর্ডও গড়ে দলটি। এরপর ২০২৫ সালের এমএলএস কাপ জয়েও সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন মেসি।
ক্লাব ও দেশের হয়ে মেসির মোট গোল এখন ৯২৯টি। এরই মধ্যে চলতি এমএলএস মৌসুমে ২২ ম্যাচে ১৯ গোল করেছেন, যা লিগের সর্বোচ্চ। তবে এমএলএস শিরোপা ধরে রাখার মিশনে অনেকটাই পিছিয়ে মেসিরা। ইস্টার্ন কনফারেন্সে ন্যাশভিলের সঙ্গে তাদের পয়েন্টের পার্থক্য ৯। ২৫ ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট ন্যাশভিলের, মায়ামির ৪৫।