রাড্ডার ঘটনায় পুলিশি গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার

ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টায় এ ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ সম্ভব নয়। হামলাকারীরা ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে ভবন ভাঙচুরের পাশাপাশি ভেতরের তথ্যপ্রযুক্তি সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি লুট করে নিয়ে গেছে।

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম

রাজধানীর মিরপুরে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ‘রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার’ ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা প্রতিরোধ করা পুলিশের দায়িত্ব ছিল উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, এ ঘটনায় পুলিশের কোনো সদস্যের অবহেলা বা গাফিলতির প্রমাণ মিললে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী যে দল বা মতেরই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

 

ঘটনাস্থলের কাছে শাহ আলী থানা থাকা সত্ত্বেও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ সময়মতো পৌঁছেছিল কি না এবং কারও কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তে দারুসসালাম অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনারকে (এডিসি) প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে বিকেলের মধ্যেই প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দেওয়া হয়।

ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টায় এ ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ সম্ভব নয়। হামলাকারীরা ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে ভবন ভাঙচুরের পাশাপাশি ভেতরের তথ্যপ্রযুক্তি সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি লুট করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ২৫০ জনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এর আগে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে মুখোশধারী দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে কেন্দ্রটিতে হামলা চালায়। তারা নিরাপত্তাকর্মীদের বেঁধে রেখে মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, টিকা ও নগদ অর্থ লুট করে এবং ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’-এর ব্যানারে পুরো স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়।

এতে এক কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার।

বর্তমানে ভবন ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ায় খোলা আকাশের নিচে ত্রিপল টানিয়ে মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও টিকা প্রদান করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত