চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-সিডিএ’র নতুন মাস্টার প্ল্যানে পাঁচটি স্যাটেলাইট সিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা অত্যন্ত সময়োপযোগী। এতে মূল শহরের ওপর থেকে মানুষের চাপ অনেকটা কমে যাবে। ইতিমধ্যে সিডিএ’র সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। চট্টগ্রাম-৮ অর্থাৎ বোয়ালখালীর একটি অংশকে স্যাটেলাইট সিটি করার পরিকল্পনা সেখানে রয়েছে। কালুরঘাট ব্রিজ হওয়ার পর বোয়ালখালীকে কীভাবে সাজানো যায়? রাস্তা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্লট কিংবা অন্যান্য স্থাপনা কোথায় হবে এসব নিয়ে আমাদের বিস্তারিত কথাবার্তা হয়েছে।
চট্টগ্রাম শহর পরিকল্পিত শহর হিসেবে গড়ে ওঠেনি। যে কারণে মানুষকে নানাভাবে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আমরা চাই এই মাস্টার প্ল্যানের আওতায় আগামীতে যে স্যাটেলাইট সিটি হবে সেগুলো পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠুক। হাটহাজারী, বোয়ালখালী, পটিয়া, আনোয়ারা ও কর্ণফুলী এই পাঁচটি উপজেলায় এগুলো হওয়ার কথা। একই সঙ্গে আমরা যদি কর্ণফুলী নদীর ওপর আরও একাধিক ব্রিজ করতে পারি তাহলে চট্টগ্রাম শহরের ওপর কর্মজীবী মানুষের যে চাপ রয়েছে তা অনেক কমে যাবে। এই স্যাটেলাইট সিটিগুলো থেকে মানুষ সকালে এসে কাজ শেষ করে বিকেলে ফেরত যেতে পারবে। তাই শুধু পরিকল্পনা নয়, কীভাবে সেই পরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এরশাদ উল্লাহ
সংসদ সদস্য, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও)