অপসাংবাদিকতা রোধে নজরদারি শক্তিশালী করা হচ্ছে

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ এএম

অপসাংবাদিকতা রোধ করার লক্ষ্যে সরকার গণমাধ্যমে নজরদারি শক্তিশালী করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধে দ-িত পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত চায় সরকার। তার অপরাধের বিচার হয়েছে এবং তিনি শাস্তি পেয়েছেন। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থেই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, অপসাংবাদিকতা মোকাবিলায় প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান প্রেস কাউন্সিলের সক্ষমতা যথেষ্ট নয়। এ কারণে প্রেস কাউন্সিলের আইন পরিবর্তনসহ প্রয়োজনীয় সংশোধনীর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ফলে বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরেও সংবাদমাধ্যমের অনিয়ম নিয়ে কার্যকরভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি বলেন, কিছু গণমাধ্যমের সংবাদ উপস্থাপনার ধরন সরকারের নজরে রয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের অংশ হিসেবে এসব বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিটি ঘটনার ব্যাখ্যা দেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে। তবে কেউ আইনি সীমা লঙ্ঘন করলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেন। এ জন্য রাষ্ট্রের বিচার বিভাগ রয়েছে।

 অপর এক প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে পুলিশ বাহিনীকে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল, তাতে বাহিনীটির প্রতি মানুষের ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। এর প্রভাব পড়ে জুলাই আন্দোলনে। তারপর পুলিশের মনোবল ও আত্মবিশ্বাসে ভাটা পড়েছে। চব্বিশের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও পুলিশের মনোবল ও আত্মবিশ্বাসের সংকট ছিল। তবে এ বছর ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং পুলিশ বাহিনী ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মো. আলম মোস্তফা ও তথ্য অধিদপ্তরের সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার মোবাস্বেরা কাদেরী উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত