বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মঞ্চে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী নাটক ‘রক্তকরবী’ নিয়ে হাজির হচ্ছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনের মূল হলে নাটকটির প্রদর্শনী হবে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ড্রামা অ্যান্ড থিয়েটার ফোরামের পরিবেশনায় নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন শ্রেয়শ্রী সরকার। এর আগে গত ২০ ও ২১ আগস্ট ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়ামে নাটকটির প্রদর্শনী হয়। এবার বৃহত্তর দর্শকের সামনে নিজেদের নাট্যচর্চা ও সৃজনশীলতা তুলে ধরতে জাতীয় নাট্যশালার মঞ্চে উঠছে প্রযোজনাটি।
নাটকের অভিনয়ের পাশাপাশি মঞ্চ ব্যবস্থাপনা, প্রযোজনা, সংগঠন ও সৃজনশীল পরিকল্পনার বিভিন্ন পর্যায়েও সরাসরি যুক্ত ছিলেন শিক্ষার্থীরা। নাট্যকর্মীদের তত্ত্বাবধানে পুরো আয়োজন তাদের জন্য অভিনয়ের পাশাপাশি দলগত কাজ ও সাংস্কৃতিক চর্চার অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করেছে। প্রযোজনাটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব জেনারেল এডুকেশনের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহফুজা হেলালী।
নাটকটির প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে ড. মাহফুজা হেলালী বলেন, ‘রক্তকরবী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিনিধিত্বশীল নাটক। এটি আজও প্রাসঙ্গিক। বর্তমান বিশ্বের প্রতিটি দেশ যেন একেকটি যক্ষপুরীতে পরিণত হয়েছে। আর সাধারণ মানুষ পরিণত হয়েছে শাসকের ‘ছিবড়ায়’। তাদের ভেতরে প্রাণ নেই, কেবল মেশিনের মতো কাজ করে চলে। তিনি আরও বলেন, ‘এদের ভেতরে প্রাণসঞ্চার করতে আবারও নন্দিনীকে প্রয়োজন। নন্দিনী শুভশক্তির প্রতীক। কল্যাণের পথে তার যাত্রা। সে আত্মার মুক্তি ঘটায়। সুতরাং যন্ত্রসভ্যতার করাল থাবায় নিষ্পেষিত মানুষের মুক্তির জন্য আরেকবার “রক্তকরবী”র মালা চূড়ায় পরতে হবে।’
‘রক্তকরবী’ নিয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে তোড়জোর
মঞ্চে ‘রক্তকরবী’
নাট্যশালায় খনা, মহিলা সমিতিতে রক্তকরবী মঞ্চস্থ