লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে লালন স্মরণানুষ্ঠান।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি বলেন, ধর্ম পালন করা বা না করা প্রত্যেকের নিজস্ব স্বাধীনতা। কাউকে আঘাত বা হেয় না করে সবার মতকে শ্রদ্ধা করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হারুন-অর-রশীদ বলেন, মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় সে মানুষ। জন্মপরিচয় নয়, মানবিকতা, বিবেক ও কর্মের মধ্যেই মানুষের মর্যাদা। লালনের দর্শন সামাজিক ও নৈতিক পুনর্জাগরণের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম। মুখ্য আলোচক ছিলেন শিল্পী ও গবেষক প্রফেসর ড. আহমেদ শাকিল হাসমী। আরও বক্তব্য দেন বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল ও জাসাসের সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকন।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে লালনসংগীত পরিবেশন করেন লতিফ শাহ, নাসরিন সুলতানা বিউটি, আলেয়া বেগম, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস, মৌসুমী ইকবাল, কাঙ্গালিনী সুফিয়া, কানিজ খন্দকার মিতু, সুমন রায়, পাখি বাউলিয়ানা ও সুলতানা জামান জোছনা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কণ্ঠশিল্পীরা সমবেতভাবে ‘ধন্য ধন্য বলি তারে’, ‘আমার ঘর খানায় কে বিরাজ করে’ ও ‘মিলন হবে কত দিনে’ গান পরিবেশন করেন।