হাড় ক্ষয় বা ‘অস্টিওপোরোসিস’-এ (Osteoporosis) বয়স্ক নারী ও পুরুষ এবং মেনোপজের (রজোনিবৃত্তি) পরের মহিলারা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন। হাড়ের ক্ষয়রোধ ও ঘনত্ব বাড়াতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ (যেমন- বিসফসফোনেট) সেবন করতে হয়। হাড় ক্ষয়ের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নির্ভর করে রোগীর হাড়ের ক্ষয়ের পরিমাণ এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর। মূলত হাড়ের ক্ষয়রোধ ও নতুন হাড় তৈরিতে নিচের চিকিৎসাগুলো দেওয়া হয় খাদ্যাভ্যাস ও সাপ্লিমেন্ট : পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া এবং প্রয়োজনে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ। ওষুধ (Anti-resorptive agents): চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যালেনড্রোনিক অ্যাসিড, ইবানড্রোনিক অ্যাসিড বা জোলেনড্রোনিক অ্যাসিডের মতো হাড় ক্ষয়রোধী ওষুধ। হরমোন বা বায়োলজিক্যাল থেরাপি: অনেক ক্ষেত্রে হরমোন থেরাপি, বা ডেনোসুমাব (Denosumab) জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হতে পারে।
ব্যায়াম : হাড় ও পেশি শক্তিশালী করার জন্য ওজন বহনকারী ব্যায়াম। আপনার ক্ষেত্রে বা যার হাড় ক্ষয়ের সমস্যা রয়েছে, তার বয়স কত, তিনি কি মেনোপজের (রজোনিবৃত্তি) পর্যায়ে আছেন কি না এবং ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো রোগ আছে কি না এসব তথ্য জানালে সুনির্দিষ্ট চিকিৎসাকেন্দ্র বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে হবে।
ব্যায়াম নিয়মিত : হাড় এবং পেশি শক্তিশালী করার জন্য ওজন বহনকারী ব্যায়ামে অংশগ্রহণ করুন।
একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য বজায় রাখুন : পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম যেসব লক্ষণে বুঝবেন হাড়ে ক্ষয় ধরেছে, প্রতিরোধে কী করবেন বয়স্ক পুরুষ বা নারী এবং মেনোপজ পরবর্তী মহিলাদের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’-এর পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাড় ক্ষয় প্রতিরোধকারী ওষুধ সেবন করুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।