আইইডিসিআর পরিচালককে মারধরের ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৪ এএম

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকির ওপর হামলার ঘটনায় প্রশাসনিক ও আইনিব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত। তিনি এ ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক, নিন্দনীয় ও অনভিপ্রেত আখ্যায়িত করে বলে বহিরাগতদের এ ধরনের আক্রমণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। গতকাল  বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে নলেজ হাব ইনস্টিটিউট আয়োজিত ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ, হেলথ সিস্টেম অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক নীতিসংলাপ (পলিসি ডায়ালগ) শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

গত বুধবার বেলা ১১টার দিকে আইইডিসিআর’র পরিচালক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকিরের কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানটি রোগ পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ৮ থেকে ৯ ব্যক্তি পরিচালকের কক্ষে ঢুকে তাকে চেয়ার থেকে টেনে তোলেন এবং মারধর করেন। ঘটনার সময় কক্ষে চিকিৎসকদের বৈঠক চলছিল।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজে যতটুকু দেখা গেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। পরিচালকের ওপর যেভাবে বহিরাগতরা ভেতরে ঢুকে আক্রমণ করেন এবং যে সময় ঘটনাটি ঘটেছে, তখন কক্ষে বৈঠক চলছিল। সেখানে গবেষকসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনে এ ধরনের শারীরিক আক্রমণ অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং কখনোই কাম্য নয়। সরকার এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।’

সরকার এরই মধ্যে এ বিষয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং আইনগতভাবে যা যা করণীয়, তার সবই করা হবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন ‘প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও একজন চিকিৎসকের ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত