বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে নিয়োগ ও পদোন্নতির মাধ্যমে শতকোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০২৪ সালের মে মাসে শুরু হওয়া এ অনুসন্ধান কয়েক মাসের মধ্যেই গতি হারায়। এরপর দুই বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেই অনুসন্ধানে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। গোপালগঞ্জের প্রভাবশালী এই চিকিৎসক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান কার্যত লালফিতায় বন্দি হয়ে আছে। কবে নাগাদ অনুসন্ধান শেষ হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না খোদ অনুসন্ধান কর্মকর্তা।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের এপ্রিলে অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে দুদকে লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে। একই বছর তার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে গণমাধ্যমেও একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। লিখিত অভিযোগ ও প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে অভিযোগটি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর শারফুদ্দিন আহমেদ, তার স্ত্রী অধ্যাপক নাফিজা আহমেদ এবং তাদের সন্তান তাজবীর আহমেদ, তানবীর আহমেদ ও তাহমিদ আহমেদ সাদাতের ব্যাংক হিসাব ও সম্পদের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দেন দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা। এরপর থেকেই অনুসন্ধানের গতি কমে যায় বলে সংশ্লিষ্ট নথি থেকে জানা যায়। বর্তমানে দুদকের উপপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম অভিযোগটি অনুসন্ধান করছেন।
অনুসন্ধানের অগ্রগতি সম্পর্কে মো. রাশেদুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। অন্যান্য অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এ অভিযোগের অনুসন্ধান শেষ করতে একটু দেরি হচ্ছে।’
দুদকের কাছে থাকা অভিযোগে বলা হয়, অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ দায়িত্ব নেওয়ার পর তার অনুগত বিভিন্ন বিভাগের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে একটি শক্তিশালী চক্র গড়ে তুলেন। সেই চক্র তিন বছরে ২ হাজারের বেশি জনবল নিয়োগ দিয়েছে। ভিসির নেতৃত্বাধীন চক্র এতটাই প্রভাবশালী যে, কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস ছিল না। কিন্তু তার মেয়াদের শেষ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভিসিকে আটকে রাখে এবং তার সিন্ডিকেটের কয়েকজনকে বেদম মারধর করে।
অভিযোগে বলা হয়, অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদের সময়ে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের কাছ থেকে পদমর্যাদা অনুযায়ী জনপ্রতি ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। পরে তাদের চাকরি স্থায়ীকরণে ও পদোন্নতির সময় জনপ্রতি ২ থেকে ৩ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। শুধু জনবল নিয়োগ, পদোন্নতি ও চাকরি স্থায়ীকরণের মাধ্যমে শতকোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়েছেন ভিসি শারফুদ্দিন আহমেদ। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি গ্রহণ এবং মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতির অভিযোগও আছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হোটেল-ক্যান্টিন ভাড়ার নামে লাখ-লাখ টাকা লোপাট, ক্লাস না নিয়ে ক্লাসপ্রতি ২ হাজার টাকা নেওয়া, বিদেশি সংস্থার টাকায় বিদেশ ভ্রমণ, বিদেশ ভ্রমণের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থ লোপাটের অভিযোগও রয়েছে শারফুদ্দিনের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, ডা. শারফুদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে নজিরবিহীন দুর্নীতি করেছেন। টাকা ছাড়া কোনো নিয়োগ হয়নি। তিনি নিজের দুই ছেলে, ছেলের স্ত্রী, বোন, ভাগনিসহ বহু আত্মীয়স্বজনকে চাকরি দিয়েছেন। তার ভাগ্নে বিশ্ববিদ্যালয়ে টেন্ডার ছাড়া কাজ করছেন। এমনকি ভিসির প্রভাব খাটিয়ে তার পিএস ডা. রাসেলও ঘুষ নিয়েছেন। ঘুষ নিয়ে চাকরি না দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অভিযোগ করা হয়েছে। আবার ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে ডা. রাসেলকে নিজ দপ্তরে মারধরও করেছের কয়েকজন ডাক্তার।
৩৭৪ জনের স্থায়ীর আদেশ বাতিল করে সাড়ে ৫০০ জন নিয়োগ : অভিযোগে বলা হয়েছে, অধ্যাপক ডা. কনক কান্তির বড়ুয়া তার ভিসির দায়িত্ব পালনের শেষ দিকে ২০২১ সালের ২২ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ৬৪ জন ও চতুর্থ শ্রেণির ৩১০ জনসহ মোট ৩৭৪ জন অস্থায়ী কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণের আদেশ জারি করেন। এ আদেশ জারির কয়েক দিন পর ২৯ মার্চ বিএসএমএমইউর ভিসি পদে নিয়োগ পান ডা. শারফুদ্দিন। তিনি কর্মস্থলে যোগদানের পরই আগের ভিসির ৩৭৪ জন কর্মচারীর স্থায়ীকরণ আদেশ বাতিল করেন। পরে তাদের আবার পরীক্ষা নেওয়ার নামে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা করে নিয়ে স্থায়ী নিয়োগপত্র দেন। তখন প্রায় সাড়ে ৫০০ জনকে স্থায়ীকরণ করে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেন।
ছেলে ও ছেলের স্ত্রীসহ ১০ জনের চাকরি : অভিযোগে বলা হয়, ডা. শারফুদ্দিন ভিসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০২১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তার ছেলে ডা. তানভীর আহমেদকে হেড নেক বিভাগের মেডিকেল অফিসার হিসেবে চাকরি দেন। তিনি তার ছেলের স্ত্রী ডা. ফারহানা খানম ফারহাকে মেডিকেল অফিসার, ভাগ্নে এসএম বাহালু পিয়াসকে তৃতীয় শ্রেণির, ফুফাতো ভাইয়ের স্ত্রী শারমিন আক্তারকে দ্বিতীয় শ্রেণির, ভাগ্নে লিয়াকত হোসেন ফকির, শ্যালিকার পুত্র এবং পিএস ভাতিজাকে চাকরি দেন। এ ছাড়া ২০২১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ডা. হাসনাত সাইদুল ইসলাম ও ডা. নওরীন আনোয়াকে মেডিকেল অফিসার পদে চাকরি দেন। এরপর ২৯ সেপ্টেম্বর ডা. সুমাইয়া ফাজরিন এবং ২ অক্টোবর ডা. সানজানা কামালকে মেডিকেল অফিসার পদে চাকরি দেন। এরপর ২০২২ সালের ২৩ মার্চ তাদের চাকরি স্থায়ী করা হয়।
২০০ নার্স নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ৬৭০ জন নিয়োগ : অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০ জন সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে তিনজন প্রো-ভিসির মাধ্যমে তিনটি পৃথক নিয়োগ কমিটি করা হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তিনটি ভাইভা বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া হয়। কিন্তু কমিটির কাছ থেকে ভাইভার রেজাল্ট না নিয়ে ভিসি তার সিন্ডিকেটের সদস্যদের মাধ্যমে তালিকা করে ২০০ জনের স্থলে ৬৭০ জন নিয়োগ দেন। প্রতিজনের কাছ থেকে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবগত আছেন।
প্রভাব খাটিয়ে এমএস কোর্সে ভর্তি : অভিযোগে বলা হয়, ডা. শারফুদ্দিন কোনো ধরনের ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই এমএস কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন। নথিপত্রের তথ্য অনুযায়ী তিনি ১৯৯৯ সালের ৬ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএস কোর্সে ভর্তির আবেদন করেন। ওই আবেদন বিভাগীয় চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট ডিন ও প্রো-ভিসি কর্র্তৃক সুপারিশ করা হয়। তৎকালীন প্রো-ভিসি (অর্থ) ভর্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। তাকে উপেক্ষা করে আবেদন ভিসি বরাবর পাঠানো হয় এবং ভিসি তা অনুমোদন করেন, যা আইনের পরিপন্থী। ডা. শারফুদ্দিন এমএস কোর্সের জন্য কোনো ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি। তৎকালীন আইপিজিএমআরের যেসব শিক্ষক বিভিন্ন কোর্স করেছেন তারা সবাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। ভর্তি পরীক্ষা ছাড়া ও চেয়ারম্যান এবং ভর্তি কমিটিকে উপেক্ষা করে ভর্তি করার ক্ষমতা ভিসির নেই।
পদোন্নতি ২০০৪ সালে, কার্যকর দেখানো হয় ২০০১ সাল থেকে : অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০১ সালে ডা. শারফুদ্দিন সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির আবেদন করেন। তবে তখন তার এমএস ডিগ্রি ছিল না। পদোন্নতির ক্ষেত্রে এমএস ডিগ্রি অর্জনের সনদ থাকতে হয় । নির্বাচন কমিটিও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী তার প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে। পরে ২০০৪ সালের ৪ নভেম্বর সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে চার শর্তে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়, যা ২০০৪ সালের ২৬ এপ্রিল থেকে কার্যকর করার কথা ছিল। কিন্তু ২০০৭ সালের ৮ জানুয়ারি জারি করা এক আদেশে উপাচার্যের অনুমোদনে পদোন্নতির কার্যকর তারিখ পরিবর্তন করে ২০০১ সালের ১২ জুলাই নির্ধারণ করা হয়। এর ফলে তিনি ২০০১ সালের জুলাই থেকে সহযোগী অধ্যাপকের বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা ভোগ করেন। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের পরও কীভাবে প্রায় তিন বছর আগের তারিখ থেকে পদোন্নতি কার্যকর করা হয় তা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
বেশিরভাগ জনবল গোপনে নিয়োগ : অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটিতে জনবল নিয়োগ নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। যে সংখ্যক নিয়োগ হয়েছে তার অল্প সংখ্যক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে। বেশিরভাগ জনবল নিয়োগ হয়েছে গোপনে। সঠিক প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই ছাড়া নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মানহীন-অদক্ষ ব্যক্তিদের। এ ছাড়া বিপুল জনবল নিয়োগ দিয়ে তাদের বেতন বাবদ প্রায় ৩০ কোটি টাকা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া ব্যয় করা হয়েছে।
ছেলেকে অবৈধভাবে কোর্সে ভর্তির সুযোগ : অভিযোগে বলা হয়েছে, ভিসি শারফুদ্দিন তার ছেলে ডা. তানভীর আহমেদকে বিধিবহির্ভূতভাবে একটি কোর্স সম্পন্ন করান। পরে আরেকটি কোর্সে ভর্তি করেন। এক কোর্স শেষ হওয়ার ২ বছর পর কোর্স করার নিয়ম। অথচ চাকরি পাওয়ার ২ বছরে দুটি কোর্স করেছেন কেবল উপাচার্যের সন্তান হওয়ার কারণে। আর তার ছেলে ডা. তাজবীর আহমেদ শিক্ষা ছুটি নিয়ে পাঁচ বছর বিদেশে অবস্থান করেছেন।
টেন্ডার ছাড়াই চলছে কাজ : অভিযোগে বলা হয়েছে, সিন্ডিকেট সদস্য সহযোগী অধ্যাপক ডা. ইয়ার-ই-মাহবুবকে মিডিয়া সেলের প্রধান বানিয়ে প্রকাশনার মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়েছেন ডা. শারফুদ্দিন। ডা. ইয়ার-ই-মাহবুব পরশ প্রিন্টারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করছেন। তার সমাবর্তনে ভুলেভরা ম্যাগাজিন ও ব্যাগ ছাপিয়ে এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের নামে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ডা. শারফুদ্দিন টেন্ডার ছাড়াই কনভোকেশন করে ৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ছাড়া তার সিন্ডিকেট সদস্য ডা. ফারুক মুন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্যান্টিন, ক্যাফেটেরিয়া, আউটসোর্সিং টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করছেন। টেন্ডারে কোনো ধরনের পিপিআর অনুসরণ না করে পছন্দের বক্তি বা প্রতিষ্ঠান কাজ দিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় কিডনি চুরির মামলা রয়েছে।
মালয়েশিয়ায় ভ্রমণের খরচ দাবি : অভিযোগে বলা হয়েছে, ভিসি ডা. শারফুদ্দিন মালয়েশিয়ার ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির সঙ্গে এমওইউ স্বাক্ষর করতে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মালয়েশিয়া যান। তার যাতায়াতসহ খরচ মালয়েশিয়ান ইউনিভার্সিটি কর্র্তৃপক্ষ বহন করে। তিনি দেশে উড়োজাহাজ ভাড়ার ৩ লাখ ৩৭ হাজার ২৭৭ টাকা বিল প্রদানের জন্য উপস্থাপন করেন।
ক্লাস না করিয়ে প্রতি ক্লাসের জন্য নিয়েছেন ২ হাজার টাকা : অভিযোগে বলা হয়েছে, বিএসএমএমইউর ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে অনারারি হিসেবে কোনো শিক্ষক একদিন ক্লাস নিলে তাদের সম্মানি হিসেবে অধ্যাপককে ২ হাজার, সহযোগী অধ্যাপককে ১ হাজার ৫০০ টাকা, সহকারী অধ্যাপককে ১ হাজার টাকা প্রদান করা হয়ে থাকে। অথচ বিএসএমএমইউর নিজস্ব অধ্যাপক হয়েও তিনি ২০২২ সালের জুন মাসে ৪টি এবং জুলাই মাসে ২টি ক্লাস করিয়ে ১২ হাজার টাকা বিল নিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে শনিবার সন্ধ্যায় অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।