পরবর্তী নির্বাচনের অগ্রগতি জানতে রাকসুর কোষাধ্যক্ষের সঙ্গে রাবি শিবিরের সাক্ষাৎ

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) পরবর্তী নির্বাচনের অগ্রগতি জানতে রাকসুর কোষাধ্যক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের নেতারা। রবিবার (৮ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টায় বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাবি শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল।

সাক্ষাৎ-পরবর্তী সময়ে রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল সাংবাদিকদের বলেন, ২৬ অক্টোবর মূলত রাকসুর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এর আগে আমরা বারবার ছাত্রশিবির-সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা অধিবেশন সংবিধান সংশোধন এবং পরবর্তী রাকসু নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে অধিবেশনের এজেন্ডাভুক্ত করে আলোচনা করেছি।

তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকেও ২৫ তারিখে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি দিয়েছি। সেখানে আমাদের অন্যতম দাবি ছিল, সিনেট ও রাকসু কার্যকর করা এবং পরবর্তী রাকসু নির্বাচনের আয়োজন করা। এরপরও আমরা বারবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বসেছি। সংবাদ সম্মেলনেও আমরা স্পষ্টভাবে বলেছিলাম, প্রশাসন যদি নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে কোনো গড়িমসি করে, তাহলে আমরা মাঠপর্যায়ে আন্দোলনে যাব।

তিনি বলেন, সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই আজ আমরা আবারও রাকসুর কোষাধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। একটু পর আমরা উপাচার্য স্যারের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করব। সাক্ষাতের পর আমরা এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সর্বশেষ অবস্থান জানতে চাইব। এরপর সেই অনুযায়ী আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করব।

এ বিষয়ে রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেতাউর রহমান বলেন, কিছুক্ষণ আগে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীলরা এসেছিলেন। তারা জানতে চাইলেন রাকসুর পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে। আমরা জানি, রাকসু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি। দীর্ঘ ৩৫ বছর পরে বিগত রাকসু অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তার মেয়াদ শেষ হয়েছে। এখন নতুন রাকসুর চাওয়া-পাওয়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যেটুকু পেয়েছি, তাতে তারা চান, এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকেও প্রত্যাশা হচ্ছে, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক। ইসলামী ছাত্রশিবির সেই দাবিটিই করেছে এবং তাদের পক্ষ থেকে জানতে চেয়েছে, পরবর্তী রাকসু নিয়ে চিন্তাভাবনা কী।

তিনি আরও বলেন, রাকসুর পুরো বিষয়টি উপাচার্য এবং রাকসুর সভাপতির দায়িত্বে। মূল ভূমিকা তারই। স্যারের সঙ্গে আমি এ বিষয়ে কথা বলেছি। স্যার যেটি বলেছেন, সামনে আমাদের ভর্তি পরীক্ষা এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র এখানে হবে এবং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ভর্তি পরীক্ষা এবং রাকসু দুটোই বড় কাজ। দুটো কাজ একসঙ্গে সামাল দেওয়া কঠিন। 

তিনি আরও বলেন, উপাচার্যের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে, ভর্তি পরীক্ষার পরে রাকসুর দিকে যেতে চান। সেই বিষয়টিই আমি স্যারের কাছ থেকে পেয়েছি এবং সেটি ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীলদের কাছে উপস্থাপন করেছি। ভর্তি পরীক্ষার আগে কার্যক্রম চালানো কঠিন। সে ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষার পরে এটি নিয়ে ভাবতে হবে।




সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত