গীতিকার, সুরকার ও গায়ক পরিচিতির পাশাপাশি লুৎফর হাসানের তৈরি হয়েছে পাঠক-ভক্ত। এবারের একুশে বইমেলায় তার উপন্যাস ‘বগি নাম্বার জ’ প্রকাশ হয়েছে। বইটি ভালোই চলছে। এর মাঝে উপন্যাস ‘জারুল বনে রক্তজবা’র ঘোষণা দিলেন তিনি।
‘আমার পরবর্তী উপন্যাস আগের মতোই এক জার্নির’ উল্লেখ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি জানান লুৎফর হাসান। তিনি বলেন, “আগামী উপন্যাসে আমি নিয়ে আসব পাপিয়া নামের এক মধ্যবয়সী নারীর জীবন ও তার সাতটি বিচিত্র প্রেমের ভেতর বাহিরের উপাখ্যান নিয়ে। উপন্যাসে থাকবে দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নানান জায়গার ইতিহাস ও বিস্তারিত বর্ণনাও। উপন্যাসের নাম ‘জারুল বনে রক্তজবা’। লেখা চলছে।”
মেলায় পুরোনো বইগুলোও ভালো চলছে জানান ‘ঘুড়ি’-খ্যাত গায়ক।
তিনি বলেন, “গতবারের উপন্যাস ‘লাল কাতানের দুঃখ’ এ বছরও সবগুলোই বিক্রি হয়ে গেছে। নতুন করে পাওয়া যাবে কবে, প্রকাশক জানেন। দুই হাজার সতেরো সালে প্রকাশিত ‘মানিব্যাগ’ এখনো চলছে একই রকম ছন্দে। প্রকাশক চয়নিকা সাথী জানালেন রকমারিতেও ‘মানিব্যাগ’ অর্ডার হচ্ছে এখনো। কেউ কেউ নিচ্ছেন তারও আগের বই ‘নীল মলাটের গল্প’।”
লুৎফর হাসান আরও বলেন, “আমি বুঝতে পেরেছি আমার লেখার নিজস্ব পাঠক তৈরি হয়েছে, তারা সংখ্যায় একেবারে কম হলেও মন্দ না।”
তিনি বলেন, “আনন্দের ব্যাপার, আমার কবিতার বইগুলোও ভালো বিক্রি হয়েছে। ‘আয়না ভাঙা রোদ’, যে বছর ‘তুমি আমি চাঁদে গিয়েছিলাম’ – শেষ। এ বছর ‘আব্বা আমার দূরত্বকেও ভালোবেসেছিলেন’ আর ‘অন্ধ চোখে তুমি বকুল বাতাস’ কেমন যাচ্ছে, সেটা বইমেলার পর জানতে পারব।”
তিনি অনুরোধ করেন আট বছর ধরে লেখা ‘বগি নাম্বার জ’ সংগ্রহ করতে। বইটি পাওয়া যাচ্ছে নাগরী প্রকাশের ২২৮ স্টলে।