ডাক টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম ডিজিটাল ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে।’
সোমবার চট্টগ্রামে একটি সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডাক টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এ কথা বলেন।
চট্টগ্রামে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন ও জেলা পর্যায়ে আইটি/হাইটেক পার্ক স্থাপনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সঙ্গে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম এনডিসি ও চসিকের পক্ষে প্রধান নির্বাহী মো. সামসুদ্দোহা চুক্তিতে সই করেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ইকোনমিক জোন হচ্ছে। যেটি শিল্পনগরে পরিণত হবে। ডিজিটাল যুগে চট্টগ্রাম পিছিয়ে থাকতে পারে না। সেই বিষয়টি মাথায় নিয়ে চট্টগ্রামে হাইটেক পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে। কিন্তু প্রথম দিকে কোথায় এই হাইটেক পার্ক হবে তা বুঝতে পারছিলাম না। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির ম্যাজিকের মতো জায়গা দেখালেন। মেয়র দূরদর্শিতার সঙ্গে চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ দেখেছেন। কোনো প্রশ্ন, শর্ত ও বিধিবিধান ছাড়া একবাক্যে তিনি জায়গা দিয়ে দিলেন।’
হাইটেক পার্ক চতুর্থ বিপ্লব, ইন্টারনেট একটি অবকাঠামো উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্বে এখন ফাইভ জি দিয়ে কথা বলে। যা আমরা আন্দাজও করতে পারিনি। আগামী ৫ বছরে সব কারখানায় ডিজিটাল প্রযুক্তি কাজে লাগাতে হবে। দেশে এমন কোনো ইউনিয়ন থাকবে না যেখানে হাইস্পিড ইন্টারনেট থাকবে না। ভবিষ্যতে বন্দরের জাহাজ চলাচল, চসিকের দৈনন্দিন কার্যক্রম প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
চসিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চসিকের বিএফআইডিসি রোড সংলগ্ন চান্দগাঁও ও চর রাঙামাটিয়া এলাকায় ১১ দশমিক ৫৫ একর জায়গায় এবং আগ্রাবাদের ব্যাংকক-সিঙ্গাপুর মার্কেটের ৬-১১ তলায় হাইটেক পার্ক, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক ও ইনকিউবেশন সেন্টার নির্মাণ করা হচ্ছে।
এর আগে গত বছরের ১৮ জুলাই বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চসিকের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্থাপনে চুক্তি হয়।