যাচাই-বাছাই করে যোগ্যতাসম্পন্ন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে এমপিওভুক্তির পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হবে। তবে কত সংখ্যক প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হবে তা এখনো ঠিক হয়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘এমন অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখানে শিক্ষক
৪০ জন আর শিক্ষার্থী ৩২ জন। এজন্য এমপিওভুক্তির আগে যাচাই-বাছাই চলছে। যেগুলো যোগ্য বলে বিবেচ্য হবে সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত করা হবে। এমনও হতে পারে যে আগামী অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৩৩ শতাংশকে এমপিও দিলাম। পরে দুই বছরে বাকিগুলোকে এমপিওভুক্ত করলাম। আবার এমনও হতে পারে যে প্রথম বছরেই যোগ্যতাসম্পন্ন সব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করে ৩৩ শতাংশ সুবিধা দিলাম। বাকি দুই বছরে ৩৩ শতাংশ হারে বাদবাকি সুবিধা বাড়িয়ে ১০০ শতাংশ করলাম।’
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পর এই দুটি পদ্ধতির যেকোনো একটি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান মুস্তফা কামাল।
সভায় অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ ও কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরীসহ বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, এমপিও নীতিমালার আলোকে নতুনভাবে এমপিওভুক্তির জন্য প্রায় সাড়ে ৯ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে ২ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে এক বছরে না হলেও পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত করা হবে।