আট বছরের ছোট্ট শিশু দীপিকা দাশ। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া নলদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী সে। চঞ্চলা চপলা এ শিশুটি গুণীও বটে। সংগীতে পারদর্শী। বাবা-মায়ের আদরের এ কন্যার চাঞ্চল্য আর জীবনপ্রদীপ যেন থেমে যেতে বসেছে।
শিশুটি ভাসকুলাইটিস রোগে আক্রান্ত। বর্তমান হাঁটতে চলতে তেমন পারে না। রোগটি সারা দেহে ছড়িয়ে পড়লে তাকে বাঁচানো যাবে না বলে ডাক্তারদের অভিমত। চিকিৎসার ব্যয় আর বহন করতে পারছেন না নিম্ন আয়ের বাবা-মা। মা পোশাক কারখানার কর্মী আর বাবা টিউশনি করেন। ওদের বাড়ি উপজেলার বরুমচড়া গ্রামের কানুমাঝির পাড়ায়।
গত বছরের ৬ মার্চ দীপিকা অসুস্থ হয়ে চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মনছুরুল আলমের কাছে চিকিৎসা নিলে রোগটি ধরা পড়ে। পরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে এবং আত্মীয়-স্বজনের সহায়তা নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য দীপিকাকে গত ২৪ ডিসেম্বর ভারতের ভেলোরে খ্রিস্টিয়ান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একমাসে দীপিকার চিকিৎসায় খরচ হয় প্রায় চার লাখ টাকা। আবার তাকে আগামী ১৭ এপ্রিল ভর্তি করাতে হবে সেই হাসপাতালে। এজন্য প্রাথমিকভাবে তিন লাখ টাকা দরকার।
দীপিকার বাবা রিংকু দাশ একমাত্র মেয়ের জীবন বাঁচাতে সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহায়তা কামনা করেছেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা- রুবি দাশ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লি. (হিসাব নম্বর ০১১১১২১০০০৫২৪৫৫) চাতরী চৌমুহনী শাখা, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম। মোবাইল নম্বর-০১৮৩৮৩৫২৬৮৩, ০১৮৩৬০৮৪৬৮৬ (বিকাশ)।