একসময় তার জীবনের উপর দিয়ে অনেক ঝড় বয়ে গিয়েছে। দুঃস্বপ্নের সেই রাত এখনও তাকে তাড়া করে বেরোয়। তিনি আমেরিকান গীতিকার ও সংগীত শিল্পী পিঙ্ক।
পিঙ্ক যে এত সুন্দর গান লেখেন তার পিছনে রয়েছে অন্য এক গল্প। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই তার গর্ভপাত হয়েছিল। পিঙ্কের কথায়, ওই বয়সে সে এক অন্য অভিজ্ঞতা। আমি নিজেই আমার শরীরকে ঘৃণা করতে শুরু করি তারপর থেকে।
পিঙ্কের কাছে নিজের রাগ, নিজের দুঃখ, ভালোবাসা এসব কিছু থেকে মুক্তির উপায় একটাই...আরও গান লিখে যাওয়া। তাই নিজের জীবনের যন্ত্রণাময় পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতেই তিনি গান গাওয়া শুরু করেন।
পিঙ্ক আরও জানান, যে কোনও মেয়ের কাছেই গর্ভপাত যন্ত্রণাদায়ক। আমি তখম মাত্র ১৭। আমার মনে হয়েছিল আমার শরীর বোধহয় চায় না যে আমি মাতৃত্বের সুখ পাই। সেই শুরু...তারপরও আমার বেশ কয়েকবার এমন হয়েছে। প্রতিবারই একই কষ্ট, যন্ত্রণা। কিন্তু সেখান থেকেই আমি নতুন কাজের উৎসাহ পেয়েছি।
গ্র্যামি পুরষ্কার জয়ী পিঙ্ক জানান, এককালে তিনি নিজের কেরিয়ার ছাড়া আর অন্য কোনও রকম সম্পর্কে বিশ্বাস করতেন না। এমনকী কেরি হার্টের সঙ্গে বিয়ের পরও চালিয়ে গিয়েছেন থেরাপি।
এখন ৩৯ বছর বয়সে এসে নিজের পরিবার সম্পর্কে কি ভাবছেন? উত্তরে পিঙ্ক জানান, ছোট থেকেই দেখে এসেছি আমার পরিবার বলতে কিছু নেই। আমার স্বামীর ক্ষেত্রেও তাই। আমরা একে এপরকে বিশ্বাস করি, ভালোবাসি। বরং বাকিদের কাউন্সেলিং করাতে চাই কীভাবে পাগলের মতো জীবনকে ভালোবেসে ভালো থাকা যায়।
এখন ৩৯ বছর বয়সে এসে নিজের পরিবার সম্পর্কে কি ভাবছেন? উত্তরে পিঙ্ক জানান, ছোট থেকেই দেখে এসেছি আমার পরিবার বলতে কিছু নেই। আমার স্বামীর ক্ষেত্রেও তাই। আমরা একে এপরকে বিশ্বাস করি, ভালোবাসি। বরং বাকিদের কাউন্সেলিং করাতে চাই কীভাবে পাগলের মতো জীবনকে ভালোবেসে ভালো থাকা যায়।